Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Tithi Basu

‘মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি বিফ খায়!’, বলেই বিতর্কে ‘ঝিলিক’ তিথি

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর সমর্থনে সুর চড়িয়ে সমালোচনার শিকার তিথি বসু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৪:০৯

options
link
‘মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি বিফ খায়!’, বলেই বিতর্কে ‘ঝিলিক’ তিথি zoom
বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর সমর্থনে সুর চড়িয়ে সমালোচনার শিকার তিথি বসু।
Advertisement

প্রকাশ্যে গোমাংস খাওয়ার কথা বলে মারাত্মক বিতর্কে জড়িয়েছেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। সোশাল মিডিয়ায় উত্তরোত্তর কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে তাঁকে। ট্রোল-মিমের বন্দুকবাজির হাত থেকেও ছাড় পাননি বর্ষীয়ান অভিনেতা! ভাইরাল হয়েছে বিশ্বজিৎকে জুতোর মালা পরানো বিকৃত ছবিও। এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে প্রবীণ অভিনেতার সমর্থনে সুর চড়িয়ে নিজেই বিতর্কে জড়ালেন ‘মা’ ধারাবাহিক খ্যাত ‘ঝিলিক’ ওরফে তিথি বসু (Tithi Basu)।

“আমাদের ধারাবাহিকেই এমন অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী-অভিনেতা ছিলেন, যাঁরা সেটে বসে বিফ নিয়ে গল্প করতেন। এমনকী কলকাতার অনেক খ্যাতনামা জায়গায় যখন গোমাংস বিক্রি হত,…” 

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে পদ্মাপাড়ের আতিথেয়তা, খাবারের প্রশংসা করেছিলেন বিশ্বজিৎ। বিশেষ করে সেখানকার গোমাংস ও ইলিশের পদের প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই ভয়ানক কটাক্ষের মুখে তিনি। খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একজন প্রবীণ অভিনেতাকে সোশাল পাড়ায় যেরকম কুরুচিকরভাবে ট্রোল হতে হচ্ছে, তার প্রতিবাদেই বুধবার রাতে সোশাল মিডিয়ায় এক ভিডিও বার্তায় গর্জে ওঠেন তিথি। ‘ঝিলিকে’র মন্তব্য, “বিশ্বজিৎ কাকু একজন সিনিয়র অভিনেতা। এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ। নিজের সততা থেকেই সত্যি কথাটা বলেছেন উনি। তাছাড়া বাংলাদেশে গিয়ে কে, কী খাবেন বা খাবেন না? সেটা তো যাঁর যাঁর ব্যক্তিগত বিষয়।” এখানেই অবশ্য থামেননি তিনি। তিথির দাবি, “সিনেপাড়ার অনেকেই আড়ালে-আবডালে কিংবা প্রকাশ্যে গোমাংস খেয়ে থাকেন।” সেপ্রসঙ্গ টেনেই অভিনেত্রী তথা ইনফ্লুয়েন্সারের সংযোজন, “আমাদের ধারাবাহিকেই এমন অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী-অভিনেতা ছিলেন, যাঁরা সেটে বসে বিফ নিয়ে গল্প করতেন। এমনকী কলকাতার অনেক খ্যাতনামা জায়গায় যখন গোমাংস বিক্রি হত, সেখানে বেশিরভাগ হিন্দুরাই যেতেন। ২০১০ সাল নাগাদ বহু জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও চ্যানেল কর্মকর্তাদেরও দেখেছি বিফ খাওয়ার জন্য ছুটে যেতে।” এরপরই তিথি বসু যা বললেন তা নিয়ে সরগরম নেটপাড়া।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘অপরিণত মস্তিষ্কে এই বিষয়ে তোমার কথা না বলাই ভালো।’ কারও কটাক্ষ, ‘আমরা গোমাতার পুজো করি হিন্দুর নামে কলঙ্ক তুমি।’

‘ঝিলিক’-এর দাবি, “প্রচুর মানুষ গোমাংস খান। এটাই বাস্তব। এমনকী মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি বিফ খায়! যারা প্রকাশ্যে বলেন না, তাঁদের মধ্যেও অনেকেই হয়তো লুকিয়ে খান। অনেকে তো ঘোমটার তলায় খেমটা নাচেন, তা বলে তো আর তাঁদের বিচার করা যায় না! কার কী ধর্ম বা খাদ্যাভ্যাস- সেটা একেবারেই ব্যক্তিগত বিষয়। সেটা অন্য কারও উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।” এহেন কথা বলেই নেটভুবনের একাংশের বিরাগভাজন হয়েছেন তিথি। কারও মন্তব্য, ‘তুমিও গোমাংস খাও! তোমার প্রতি ভালোবাসা কমে গেল।’ কারও বা নিদান, ‘অপরিণত মস্তিষ্কে এই বিষয়ে তোমার কথা না বলাই ভালো।’ কারও কটাক্ষ, ‘আমরা গোমাতার পুজো করি হিন্দুর নামে কলঙ্ক তুমি।’ কেউ বা প্রশ্ন তুললেন, ‘গোমাংস খাওয়া ব্যক্তিগত বিষয় হতেই পারে, কিন্তু প্রকাশ্যে প্রচার করার দরকার কি?’ সবমিলিয়ে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর গোমাংস ইস্যুতে সুর চড়িয়ে বিতর্কে ‘ঝিলিক’ তিথি বসু।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.