Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Duleep Trophy

নজরকাড়া শামি-ঈশানরা, ১৪ বছর পর দলীপ ট্রফির খেতাব পূর্বাঞ্চলের

নিজের ১০০তম প্রথম শ্রেণির ম্যাচের শেষটাও হাসিমুখে রাঙিয়ে নিলেন মহম্মদ শামি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৫:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৫:০০

options
link
নজরকাড়া শামি-ঈশানরা, ১৪ বছর পর দলীপ ট্রফির খেতাব পূর্বাঞ্চলের zoom
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান পূর্বাঞ্চলের। ছবি পিটিআই।
Advertisement

১৪ বছর পর দলীপ চ্যাম্পিয়ন পূর্বাঞ্চল। তাদের প্রথম ইনিংসের পরেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথম ইনিংসে ৩৭২ রানের লিড। পঞ্চম দিন সেই ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৭০৮। দলীপ ট্রফির ফাইনালে দ্বিতীয় ইনিংসে পূর্বাঞ্চল ৭ উইকেটে ৩৮৮ রান তোলার সঙ্গে সঙ্গে খেলার সমাপ্তি টানেন আম্পায়াররা। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল ঈশান কিষান, বৈভব সূর্যবংশীর দল। আর নিজের ১০০তম প্রথম শ্রেণির ম্যাচের শেষটাও হাসিমুখে রাঙিয়ে নিলেন মহম্মদ শামি।

চতুর্থ দিনের শেষে পূর্বাঞ্চলের রান ছিল ৫ উইকেটে ২১২। মনে হয়েছিল, পঞ্চম দিনে অন্তত দু’টো সেশন ব্যাট করে ডিক্লেয়ার করবে তারা। কিন্তু চা-বিরতির আগেই পরিষ্কার হয়ে যায় ছবি। প্রায় দুই সেশন ধরে দক্ষিণাঞ্চল নিল মাত্র দু’টি উইকেট। ৭ উইকেটে ৩৮৮ রানে পৌঁছে যাওয়ার পর চা-বিরতির আধ ঘণ্টা আগে খেলা শেষ করার প্রস্তাব দেন পূর্বাঞ্চল অধিনায়ক ঈশান। তিলক বর্মাও তাতে সম্মতি দেন। করমর্দনে শেষ হয় ম্যাচ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর পরেই শামিকে জড়িয়ে ধরে ১০০তম প্রথম শ্রেণির ম্যাচের জন্য বাংলার পেসারকে শুভেচ্ছা তিলকের। মাঠে নেমে উল্লাসে মাতেন পূর্বাঞ্চলের ক্রিকেটারেরা। বৈভব সূর্যবংশীর নাচ, গোটা দলের হাডল সবই হল। কুমার কুশাগ্র ৪৬ রানে ফিরলেও মহম্মদ কুরেশি ও অনুকূল রায়ের জুটিতে ওঠে ১৫০ রান। এতে পূর্বাঞ্চলের ভিত আরও শক্ত হয়। অনুকূল ফেরেন ৬৪ রানে। কুরেশি ১১৬ রানে অপরাজিত থেকে যান।

তবে পূর্বাঞ্চল অধিনায়ক ঈশানের কথা বলতেই হয়। চেন্নাইয়ের উইকেটে প্রথমে ব্যাট করে পূর্বাঞ্চল তুলেছিল ৭০৮। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ঈশানের ব্যাট থেকে এসেছিল ২৭০ রান। কুশাগ্র ১০১, অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৭২, শিখর মোহন ৮৫ এবং বৈভব ৪৪ রান করে দলকে বিশাল স্কোরের ভিত গড়ে দেন। জবাবে দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংস শেষ হয় ৩৩৬ রানে। মাত্র এক রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হয় তিলকের। দেবদত্ত পাড়িক্কল করেন ৬২। বাকিরা ব্যর্থ। চেন্নাইয়ের নিষ্প্রাণ উইকেটে বোলারদের জন্য বিশেষ সাহায্য ছিল না। আগুনে বোলিংয়ে মহম্মদ শামি নেন ৪২ রানে ২ উইকেট। মুকেশ কুমারের শিকার ৬২ রানে ৩ উইকেট। দু’টি করে উইকেট নেন কৌনাইন কুরেশি এবং শিখর মোহন। প্রথম ইনিংসেই ৩৭২ রানের ‘ম্যামথ’ লিড পায় বৈভব সূর্যবংশীরা।

দ্বিতীয় ইনিংসেও ঈশানের সামনে ছিল আরও একটি সেঞ্চুরির হাতছানি। ৮০ রানে আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে উইকেট হারান। শিখর করেন ৫২। ততক্ষণে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি পূর্বাঞ্চলের হাতে। কুরেশির শতরান, ঈশানের ২৭০, শামি-মুকেশের বোলিং – সব মিলিয়ে চেন্নাইয়ে দক্ষিণাঞ্চলকে টেক্কা দিয়ে ১৪ বছর পর আঞ্চলিক ক্রিকেটের মুকুট ফিরে পেল পূর্বাঞ্চল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.