Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Jharkhand farmers

কৃষকদের ঠকিয়ে চড়া দামে সার বিক্রি! বাতিল করা হল ৫০০ দোকানের লাইসেন্স

আগামী ১০ দিন এই অভিযান চলবে বলেও জানানো হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ১৬:৩০

options
link
কৃষকদের ঠকিয়ে চড়া দামে সার বিক্রি! বাতিল করা হল ৫০০ দোকানের লাইসেন্স zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে বেশি দামে সার বিক্রি করছিল। এই অপরাধে রাজ্যের ৫০০ জনের বেশি সার ডিলারকে বরখাস্ত করল ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) সরকার। বাতিল করা হল তাদের দোকানের লাইসেন্স। আগামী ১০ দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থাকা সারের হোল সেলারদের অফিসেও অভিযান চালানো হবে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের খরিফ মরসুমে ঝাড়খণ্ডে ১৬.৬৬ শতাংশ অতিরিক্ত ফলন হয়েছে। তা সত্ত্বেও রাজ্যের সার (fertilizer) ডিলারদের উপর থেকে কৃষকদের ক্ষোভ মিটছে না। তাঁদের অভিযোগ, সরকারের নির্দিষ্ট করে দেওয়া মূল্যের থেকে ইউরিয়া (urea)-সহ বিভিন্ন সারের দাম বেশি নিয়েছে ডিলাররা। ফলে কৃষকরা প্রয়োজনের থেকে কম সার কিনেছেন। দাম ঠিকঠাক নেওয়া হলে জমিতে আরও সার দেওয়া যেতে। ফলে ফলনও বাড়ত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: এগিয়ে বাংলা! গত দু’বছরে রাজ্যে আত্মঘাতী হননি একজন কৃষকও, কেন্দ্রের রিপোর্টে স্বীকৃতি ]

গত মঙ্গলবার পালামু (Palamu) জেলার হুসেনবাদ ব্লকের একাধিক গ্রামের কৃষকরা সার বিলির সময় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রবল বিক্ষোভ দেখান। একটি সারের দোকানে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি রাস্তা অবরোধ করেন। পরে স্থানীয় কৃষি আধিকারিক অবনীশ কুমার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে সার বিলির কাজ শুরু করেন। এই ধরনের ঘটনা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে হওয়ার খবর পেয়ে নড়েচড়ে বসে হেমন্ত সোরেনের প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ঝাড়খণ্ডের ৫০০ জনের বেশি সার ডিলারকে বরখাস্ত করা হয়।

এপ্রসঙ্গে রাজ্য কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা মনোজ কুমার বলেন, ‘রাজ্যের কোথাও সারের অভাব নেই। ইউরিয়া-সহ অন্যান্য সার প্রয়োজনের থেকে বেশি রয়েছে। যার পরিমাণ ৯০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি। তার মধ্যে ইউরিয়াই রয়েছে ৩৬ হাজার মেট্রিক টন। তারপরেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কৃত্রিমভাবে অভাব তৈরির চেষ্টা চলছে। কিছু অসাধু মানুষ নিজের লাভের জন্য বেশি দামে সার বিক্রির চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে ৫০০ জনের বেশি ডিলারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আগামী ১০ দিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় থাকা সারের হোল সেলারদের অফিসে তল্লাশি চালানো হবে। তাতে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে আমরা কোনওরকম রেয়াত করব না।’

[আরও পড়ুন: ভোজনরসিক বাঙালির জন্য সুখবর, এবার রাজ্যে শুরু হবে মণিপুরী ইলিশ চাষ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.