৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

বাবুল হক, মালদহ:  নিপা ভাইরাসের আতঙ্কের রেশ কাটেনি আমের জেলা মালদহে। তাই ঠোঙায় মুড়িয়ে ফেলা হল গাছের আম। কোথাও আবার মশারিতে ঢাকা পড়ল আমগাছও! এমনই দৃশ্য ধরা পড়ল মালদহের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মহদিপুর এলাকার আমবাগানে। শুধু আমগাছই নয়, জালে মোড়ানো হয়েছে লিচুবাগানও।

[আরও পড়ুন: আর্মি ওয়ার্মের সংক্রমণে কোচবিহারে আতঙ্ক, মাথায় হাত ভুট্টা চাষিদের]

নিপা ভাইরাস নিয়ে গত বছর শোরগোল পড়ে গিয়েছিল দেশজুড়ে। সেই আতঙ্কে ভুগছেন মালদহের আম চাষিরাও। তাঁদের বক্তব্য, বাদুড়ে খেয়ে ফেলবে ফল। আর সেই ফল থেকেই ছড়িয়ে পড়তে পারে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ। বস্তুত স্রেফ আতঙ্কের কারণেই যে এবার মালদহের আম ও লিচুর চাহিদা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কিছুটা হলেও কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরাই। তাঁরা জানিয়েছেন, বাগানে লিচু পাড়ার কাজ চলছে। আম পাড়ার কাজও চলছে। এই অবস্থায় বাদুড় ও পাখিদের প্রতিরোধ করতে অনেক ফলন্ত গাছে মশারির নেট টাঙানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।‌ আতঙ্ক এতটাই যে, বহু চাষি আবার অপরিপক্ক অবস্থায় গাছ থেকে গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপলি, ল্যাংড়া ও গুটি জাতির আম পাড়ার কাজ শুরু করে দিয়েছেন।  উদ্যানপালন দফতরের বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, আম ও লিচুগাছে সচরাচর বাদুড়জাতীয় প্রাণীদের বাসা বাঁধতে দেখা যায় না। ইউক্যালিপটাস, তাল, বট জাতীয় বড় গাছেই বাদুড়ের বাসা থাকে।

ইংলিশবাজারের গৌড়, ওল্ড মালদহের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা, কোতোয়ালি, মানিকচক-সহ বিভিন্ন জায়গায় এই ভাবে গাছ মোড়ানো হয়েছে। জেলা উদ্যানপালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় ৩২ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে আম চাষ হয়ে থাকে। ১২০০ হেক্টর জমি জুড়ে হয় লিচু চাষ। এবছর প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।‌ মালদহ জেলা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উজ্জ্বল চৌধুরী জানিয়েছেন, “গত বছর বাদুড় থেকে নিপা ভাইরাসজনিত এক ধরণের রোগের সৃষ্টি হয়েছিল। তাই আগে থেকে চাষিরা সাবধানতা অবলম্বন করেছেন। এতে রাতের অন্ধকারে গাছের আমের উপর কোনওভাবেই বাদুর বা পাখি আক্রমণ করতে পারবে না।”

[আরও পড়ুন: ভরা গ্রীষ্মে বর্ষার আহ্বান, কৃষিবর্ষ উদযাপনে পুরুলিয়া মাতল রোহিনী পরবে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং