Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
অর্জুন সিং

ভাটপাড়া পুরসভার দখলে পিছু হটলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং

চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে অর্জুনকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৯, ১৪:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৯, ১৪:১৪

options
link
ভাটপাড়া পুরসভার দখলে পিছু হটলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং zoom

স্টাফ রিপোর্টার: ভাটপাড়া পুরসভার কর্তৃত্ব দখল নিয়ে আইনি লড়াইয়ে পিছু হটতে হল অর্জুন সিংকে। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া এই নেতাকে পুরসভার চেয়ারম্যানকে পদ থেকে সরানোর জন্য অনাস্থা এনেছিলেন দলীয় কাউন্সিলররা। সেই অনাস্থা প্রস্তাবে স্থগিতাদেশ চেয়ে অর্জুন গিয়েছিলেন হাই কোর্টে। মঙ্গলবার অর্জুনের সেই মামলা শুনানির পর খারিজ করে দিল আদালত। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে অর্জুনকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।

ভোট ঘোষণার কয়েকদিন আগেই হঠাৎ বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাজ্যজুড়ে চাঞ্চল্য ফেলে দেন ভাটপাড়ার বিধায়ক ও চেয়ারম্যান অর্জুন সিং। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের এই ডাকাবুকো নেতা বিজেপিতে যাওয়ায়, গুঞ্জন ওঠে, ভাটপাড়ার সব কাউন্সিলররা তাঁর সঙ্গেই দল ছাড়ছেন। কিন্তু সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিন কয়েকের মধ্যেই দলের প্রতি তাঁদের ‘আস্থা’-র কথা জানিয়ে দেন ২২ জন কাউন্সিলর। ভাটপাড়ার বাকি এগারোজন কাউন্সিলর অর্জুনের সঙ্গ নেন। ১৮ মার্চ অর্জুনকে সিংকে অনাস্থা প্রস্তাব পাঠানো হয়। ভাটপাড়ার উপপ্রধান সোমনাথ তালুকদার জানিয়েছেন, “ভাটপাড়ার ৩৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ২২ জন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। নিয়ম অনুযায়ী সেই নোটিসের ১৫ দিনের মধ্যে মিটিং ডাকতে হয় চেয়ারম্যানকে। কিন্তু তিনি তা ডাকেননি। হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন। এদিন হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে সেই মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি।”

Advertisement

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সূত্রে খবর, কয়েক দিনের মধ্যেই ভাটপাড়ার উপপ্রধান বৈঠক ডেকে পুরপ্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবেন। জেলা তৃণমূলের সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, “অর্জুনের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ রয়েছে। তাই অনাস্থা এনেছেন বাকি কাউন্সিলররা। আদালতেও তাঁর অযৌক্তিক মামলা টেকেনি। ওর চেয়ারম্যান পদ কোনওভাবেই থাকছে না। তার সঙ্গে বিধি ভঙ্গ করে বাইক র‌্যালির করছে। মস্তানি করছে এলাকায় ঘুরে। নির্বাচন কমিশনকে সে বিষয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে।” একদিকে যখন অর্জুনের মতো নেতা দল ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছেন, অন্যদিকে আবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বহু নেতা-কর্মী। এদিন হাবড়া কুমরা অঞ্চলে বিজেপি, সিপিএম থেকে প্রায় একশো জন তৃণমূলে যোগ দেন। জেলা নেতৃত্বের দাবি, কল্যাণ বোস নামে বিজেপির জেলা কমিটি ও প্রদেশ পরিষদের সদস্য তথা হাবড়া এলাকার বিজেপির অবজার্ভার এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

সম্প্রতি হাবড়ার এই এলাকাতেই বিজেপির মজবুত সংগঠন তৈরি হয়েছিল। তাতে ভাঙন ধরিয়ে এবার বিজেপিকে পাল্টা জবাব দিল তৃণমূল। জ্যোতিপ্রিয়বাবুর দাবি, “যাঁরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন, প্রত্যেকেই বলছেন, দলের হয়ে কাজ করেছেন অথচ টাকা নিয়ে বাইরে থেকে প্রার্থী দিচ্ছে নেতারা। তাই দল ছেড়ে তৃণমূলের ছাতার তলায় এসছেন তাঁরা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.