BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

জাতীয় পতাকা নিয়ে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মানবশৃঙ্খল, বিশ্বরেকর্ড ছত্তিশগড়ে

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: August 12, 2019 2:02 pm|    Updated: August 12, 2019 2:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে পালিত হবে ৭২ তম স্বাধীনতা দিবস। তার আগে তেরঙ্গা পতাকা নিয়ে ১৫ কিলোমিটার রাস্তায় মানব শৃঙ্খল গড়ে নজির তৈরি করল পড়ুয়া ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। রবিবার অভিনব এই ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুরে। এর ফলে তৈরি হল নতুন বিশ্বরেকর্ড। রবিবার এই মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিল স্থানীয় স্কুলগুলির হাজারখানেক পড়ুয়া ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।

[আরও পড়ুন: ‘খুব ভাল কাজ করেন’, জওয়ানের প্রশংসায় খুদের কীর্তি ভাইরাল নেটদুনিয়ায়]

ছত্তিশগড়ের জনসংযোগ দপ্তরের তরফে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অভিনব এই উদ্যোগের আয়োজক ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ ফাউন্ডেশন। সবচেয়ে লম্বা তেরঙ্গা পতাকা নিয়ে মানববন্ধন গড়ে তোলার জন্য এই অনুষ্ঠানের নাম উঠেছে চ্যাম্পিয়নস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। এর আগে বিশ্বের কোথাও মানব বন্ধন মাধ্যমের ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জাতীয় পতাকা তৈরি হয়নি। তাই এই স্বীকৃতি পেয়েছে ছত্তিশগড়ের ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এই মানব বন্ধন তৈরিতে হাজার খানেক পড়ুয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার ৩৫টি স্বেচ্ছ্বাসেবী সংস্থার সদস্যরা। রায়পুরের আমাপাড়া চক থেকে পণ্ডিত রবিশঙ্কর শুক্লা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এই পতাকা।

রবিবার সকালে নজির সৃষ্টিকারী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং এবং মন্ত্রী অজিত যোগীও। ছিলেন ভূপেশ বাঘেল মন্ত্রিসভার সদস্য, বিধায়ক ও  অন্যান্য জন প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানের শেষে চ্যাম্পিয়নস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রতিনিধিরা উদ্যোক্তাদের হাতে নজির গড়ার শংসাপত্র তুলে দেন।

[আরও পড়ুন: বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি নেই, ৫ দিন পর খুলল মুম্বাই-বেঙ্গালুরু সংযোগকারী জাতীয় সড়ক]

এপ্রসঙ্গে ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস মুখপাত্র বিকাশ উপাধ্যায় বলেন, ‘আমাদের কাছে আজকের দিনটা একটা ঐতিহাসিক দিন। দেশকে পরাধীনতার হাত থেকে রক্ষা করতে ও নতুন সূর্যোদয় দেখাতে অনেক দেশপ্রেমিক আত্মবলিদান দিয়েছিলেন। তাঁদের কথা স্মরণ করে একটি মিছিলও করা হয়।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement