BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিদ্বেষের শিকার মুম্বইয়ের দলিত চিকিৎসক পায়েল, তদন্তে মিলছে ইঙ্গিত

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 29, 2019 4:12 pm|    Updated: May 29, 2019 4:12 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুম্বইয়ের চিকিৎসক পায়েল তদভিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ায় এনিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ৷ হেমা আহুজা, অঙ্কিতা খাণ্ডেলওয়াল নামে দুই চিকিৎসককে হেফাজতে নিয়ে জেরা করছেন তদন্তকারীরা৷ লাগাতার সিনিয়র ডাক্তারদের বিদ্বেষের শিকার হয়েই পায়েল আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে প্রায় নিশ্চিত পুলিশ৷ আর তাঁকে হেনস্তায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসছে হেমা, অঙ্কিতা, ভক্তিদের নাম৷

[আরও পড়ুন: ‘ভুলিনি’, শপথ অনুষ্ঠানে বাংলায় নিহত কর্মীদের পরিবারকে ডেকে বার্তা মোদির]

সপ্তাহখানেক আগে মু্ম্বইয়ের সরকারি হাসপাতাল বিওয়াইএল নায়ারে কর্তব্যরত জুনিয়র ডাক্তার পায়েল হস্টেলের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন৷ প্র্যাকটিসের সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্ত্রীরোগ বিভাগের স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনাও করছিলেন৷ অভিযোগ, দলিত সম্প্রদায়ের এই পায়েলকে অন্যান্য সহকর্মীরা রীতিমতো হেনস্তা করতেন৷ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মধ্যেও পায়েলকে নিয়ে বিভিন্ন অশালীন আলোচনা চলত, যা অত্যন্ত আপত্তিকর৷ এসব আর সহ্য করতে না পেরেই পায়েল আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে পরিবারের অভিযোগ৷ ঘটনার পর নায়ার হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখান পায়েলের মা, স্বামী-সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা৷

পায়েল ছিলেন রেসিডেন্ট ডক্টর৷ তাই তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে মহারাষ্ট্র অ্যাসোসিয়েশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টরসের তরফে যথাযথ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে৷ ধৃত ৩ চিকিৎসকের সদস্যপদ খারিজ করেছে অ্যাসোসিয়েশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টরস৷ তদন্তে নেমে গ্রেপ্তার হওয়া তিন চিকিৎসকের ভূমিকায় বহু প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে৷ পুলিশের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে, পায়েলের সঙ্গে প্রতিদিন নিয়মিত দুর্ব্যবহার করা হত৷ এমনকী রোগীদের সামনেও দরকারি ফাইল ছুঁড়ে ফেলা হত৷ পায়েলের স্বামী সলমন সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, ওই তিন সিনিয়র ডাক্তার শুধু মানসিক নির্যাতনেই থেমে থাকেননি৷ পায়েলকে খুন করার পরিকল্পনাও করেছিল৷ হয়তো সেই পরিকল্পনামতোই পায়েলের মৃত্যু হয়েছে৷ তাকে আত্মহত্যার মতো রূপ দেওয়া হয়েছে পরিকল্পনা করেই৷

[আরও পড়ুন: নির্বাচনী আবহ কাটতেই ফের মহার্ঘ পেট্রল-ডিজেল, ভোগান্তি বাড়ল সাধারণের]

পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়াতেই পায়েল কাজের জায়গায় এত বাধার সম্মুখীন হতেন বলে অভিযোগ তাঁর মায়ের৷ তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এক দলিত মেয়ের মৃত্যুর দায়িত্ব কি নেবে মহারাষ্ট্র সরকার? এদিকে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বেশ কয়েকটি আদিবাসী ও দলিত সংগঠন৷ এদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন ভীম সেনার প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement