Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
রাজভবন

মধ্যপ্রদেশের রাজভবনে করোনার হানা! নতুন করে আক্রান্ত ৩ কর্মী

বুড়ো হারে ভেলকি দেখিয়ে সুস্থ রাজ্যপাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২০, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২০, ১৭:৫২

options
link
মধ্যপ্রদেশের রাজভবনে করোনার হানা! নতুন করে আক্রান্ত ৩  কর্মী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের করোনার হানা মধ্যপ্রদেশের রাজভবনের অন্দরে! আতঙ্কে কাঁটা রাজভবনের বাকি বাসিন্দারা। এই নিয়ে ভবনের অন্দরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০। তবে বুড়ো হাড়ে ভেলকি দেখিয়ে এখনও আক্রান্ত হননি রাজ্যপাল লালজি টন্ডন (Lalji Tandon)।

মধ্যপ্রদেশের রাজভবনে ফের করোনার হানা। নতুন করে যে ৩ জনের শরীরে ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে তাঁরাও ওই আক্রান্তদের পরিবারের সদস্য বলেই জানা যায়। মধ্যপ্রদেশের কনন্টেনমেন্ট জোনের মধ্যে অবস্থিত রাজভবন। ফলে দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ভাইরাসের সংক্রমণ। রাজভবনের অন্দরে মোট ১৯০ জন কর্মী বাস করেন। তাদের সকলেরই করোনা পরীক্ষা করা হয়। ১০ জন ছাড়া বাকি ১৮০ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানা যায়। তবে রাজ্য সরকারকে স্বস্তি দিয়ে বুড়ো হারে ভেলকি দেখিয়েছেন রাজ্যপাল লালজি টন্ডন। দ্রুত গতিতে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ও রাজভবন কনন্টেনমেন্ট জোনে হওয়ায় অশনি সংকেত দেখছেন রাজ্যের বিশেষজ্ঞরা। তাই রাজভবনের অন্দরের কর্মীদের কড়া নিয়ম পালনে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজভবনের একাংশ কনন্টেনমেন্ট জোনে থাকার ফলে কর্মীদের বাড়ি বসেই কাজ (work from home) করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন:ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশ ভারতীয়ই করোনায় আক্রান্ত হবেন, ছড়াবে গোষ্ঠী সংক্রমণ, দাবি গবেষকের]

রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকেই (Shivraj Singh Chouhan) প্রত্যক্ষভাবে দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতারা। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর গাফিলতিতেই ক্রমে রাজ্যের ৫২ টি জেলার মধ্যে ৫১টি তেই করোনায় করাল ছায়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা কমলেশ্বর প্যাটেল জানান, “রাজভবনে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। তাহলে বুঝতে হবে বাকি রাজ্যের কী পরিস্থিতি। মধ্যপ্রদেশে সবথেকে বেশি শোচনীয় অবস্থা ইন্দোর ও ভোপালে। আর প্রথম থেকেই বিজেপি সরকার নিজেদের কুরসি নিয়ে ভাবতে ব্যস্ত ছিলেন। তাঁদের জন্যই রাজ্যের এত দুর্দশা।”

[আরও পড়ুন:সংক্রমণের আশঙ্কায় ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে তারাপীঠ, সিদ্ধান্ত মন্দির কর্তৃপক্ষের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.