Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
চণ্ডীগড়ে মহিলা হস্টেলে আগুন

চণ্ডীগড়ে মহিলাদের আবাসনে ভয়াবহ আগুন, মৃত ৩ ছাত্রী

জানলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে বাঁচার চেষ্টা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০, ২১:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০, ২১:২৮

options
link
চণ্ডীগড়ে মহিলাদের আবাসনে ভয়াবহ আগুন, মৃত ৩ ছাত্রী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চণ্ডীগড়ের মহিলাদের হস্টেলে ভয়াবহ আগুন। জানলা দিয়ে লাফ দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন হস্টেলের আবাসিকরা। তাতেও শেষরক্ষা হল না। আগুনে ঝলসে মারা গেলেন তিন ছাত্রী। গুরুতর জখম আরও ২০ জন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এদিকে বিকেল থেকে চারটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন লাগার কারণ এখনও অজানা। দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, শনিবার বিকেলে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩২-র ওই আবাসিক হোস্টেলে আগুন লাগে। জানলা দিয়ে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে দমকলকর্মীদের খবর দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। ততক্ষণে বাঁচার চেষ্টায় বাথরুমের জানলা দিয়ে ঝাঁপ দেয় দুই ছাত্রী। তাঁরা গুরুতর জখম হয়েছে। সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন আরও কয়েকজন।

Advertisement

[আরও পড়ুন : শাহিনবাগ আন্দোলন: খুলল জামিয়া-নয়ডা সংযোগকারী রাস্তার একাংশ]

দমকল সূত্রে খবর, আগুন এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছে গোটা এলাকা। ভিতরে আটকে থাকা ছাত্রীদের উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। তবে ধোঁয়ার কারণে বাড়ির ভিতরে ঢুকতে পারছেন না দমকলকর্মীরা। উদ্ধারকার্যে কিছুটা দেরি হচ্ছে। হোস্টেলেরই এক আবাসিকের কথায়, “আমরা ঘরের ভিতর পড়াশোনা করছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনি আগুন, আগুন। ঘরের বাইরে বেরিয়ে দেখি গোটা করিডর ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছে। ঘরগুলিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে।” তবে কীভাবে আগুন লাগল সে সম্পর্কে আবাসিকরাও অন্ধকারে।

[আরও পড়ুন : ২৯ এপ্রিল দরজা খুলবে কেদারনাথ মন্দিরের, প্রস্তুতি শুরু উত্তরাখণ্ড সরকারের]

পুলিশ জানিয়েছে, আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে তিন ছাত্রীর। তাঁদের বয়স ১৯-২২ বছরের মধ্যে। অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন আরও ২০ জন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের শহরের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সুপার বিনীত কুমার জানিয়েছেন, “হস্টেলের তিন ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা একতলার বাসিন্দা ছিলেন। কীভাবে আগুন লাগল সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়ির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।” মৃতদের দেহ ময়নাতদন্তের পরে তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.