সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আহমেদাবাদে (Ahmedabad) এক মহিলার বিরুদ্ধে তাঁর স্বামীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকের অভিযোগ, বিয়ের পর ২২ মাস একসঙ্গে কাটালেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কখনই যৌনমিলন হয়নি। কারণ ওই ব্যক্তির স্ত্রী রাজি হতেন না। আর তাতেই বিপত্তি! অবসাদে শেষপর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন ৩২ বছরের ওই ব্যক্তি। এরপরই ওই মহিলার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজন। ইতিমধ্যে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: পৈতৃক সম্পত্তির সমান উত্তরাধিকারী মেয়েরাও, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কাের্ট]
জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম সুরেন্দ্র সিং। ভারতীয় রেলে কর্মরত ছিলেন তিনি। কিন্তু গত ২৭ জুলাই মানসিক অবসাদের কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি। ওইদিন একটি অন্ত্যোস্টির অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তাঁর পরিবারের সকলে। আর সেই সুযোগেই আত্মহত্যা করেন সুরেন্দ্র। এর আগে ২০১৬ সালে প্রথম বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল সুরেন্দ্রর। ২০১৮ সালে ফের বিয়ে করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় স্ত্রীয়ের নাম ছিল গীতা। এর আগে গীতারও দু’বার বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল। সুরেন্দ্রর মা’র অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে কখনই এক বিছানায় স্বামীর সঙ্গে শুতেন না গীতা। একদিন তিনি জানতেও পারেন। এদিকে বিয়ের ২২ মাস কেটে গেলেও স্ত্রী যৌনমিলনে রাজি না হওয়ায় ধীরে ধীরে অবসাদে ভুগতে শুরু করেন সুরেন্দ্র। সমস্যা আরও চরমে ওঠে চলতি বছরের শুরুর দিকে। স্বামীর সঙ্গে সমস্যা হওয়ায় শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন গীতা। এরপর পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকে। শেষপর্যন্ত চরম পথটাই বেছে নেন ওই রেলকর্মী।
[আরও পড়ুন: চিকিৎসক ছুটিতে, অসহায় প্রসূতির সন্তান প্রসব করিয়ে ‘ত্রাতা’ মিজোরামের বিধায়ক]
এরপরই থানায় গিয়ে পুত্রবধূর নামে অভিযোগ দায়ের করেন সুরেন্দ্র–র মা। ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ। তবে গীতা বা তাঁর পরিবারের তরফে এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি।
সর্বশেষ খবর
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?
-
হামের মারণ হানা বাংলাদেশে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৬০৫