৫ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ২১ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোটেলের নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসের জেরে মৃত্যু হল সাতজনের। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ভদোদরা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে দাভোই এলাকায়। ফারটিকুই গ্রামের দর্শন নামে একটি হোটেলে। মৃতদের মধ্যে চারজন সাফাইকর্মী-সহ ওই  হোটেলের তিনজন কর্মচারীও রয়েছেন।

[আরও পড়ুন- তান্ত্রিকের সঙ্গে যৌন মিলনের প্রস্তাব স্বামীর! প্রতিবাদ করে খুন স্ত্রী]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষাক্ত গ্যাসের জেরে ম্যানহোলের ভিতরে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিল ওই ব্যক্তিরা। পরে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান।মৃতদেহগুলিকে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পলাতক হোটেল মালিক হাসান আব্বাস ইসমাইল বোরানিয়ার খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রসঙ্গে জেলা কালেক্টর কিরণ জাভেরি বলেন, “ওই হোটেলটির নর্দমা পরিষ্কারের জন্য চারজন সাফাইকর্মীকে কাজে লাগানো হয়েছিল। একজন কর্মী ম্যানহোল থেকে উঠে না আসায় বাকিরা তাঁর সন্ধানে ভিতরে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরেও তাঁদের উঠে আসতে না দেখে ম্যানহোলে নামেন তিন হোটেলকর্মী। কিন্তু, তাঁরাও আর ফেরেননি। বিষয়টি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই আমরা। ভদোদরা পুরসভার দমকল বিভাগ ও দাভোই-এর স্থানীয় প্রশাসনের তরফে উদ্ধার কাজ শুরু হয়। তিন ঘণ্টা পর ম্যানহোলের নিচ থেকে উদ্ধার হয় সাতজনের মৃতদেহ।”

[আরও পড়ুন- ছুটি চেয়ে হেনস্তার শিকার, হরিয়ানায় আত্মঘাতী চিকিৎসক]

দাভোই-এর বিজেপি বিধায়ক শৈলেশ মেহতা জানান, ওই চারজন সাফাইকর্মী স্থানীয় থুভাভি গ্রামের বাসিন্দা। নর্দমা পরিষ্কার করার জন্য তাঁদের ডেকে এনেছিলেন হোটেলের মালিক হাসান। পরে কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই তাঁদের ম্যানহোল নামতে বাধ্য করা হয়েছিল। এর জেরেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

গুজরাট সরকারের তরফে মৃতদের পরিবারকে চার লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। পলাতক হোটেল মালিককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং