Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Shraddha

Shraddha Murder Case: লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুন করে আক্ষেপ নেই আফতাবের, জানালেন আধিকারিকরা

একাধিক মহিলার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেনি অভিযুক্ত আফতাব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২২, ১১:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২২, ১১:৫৩

options
link
Shraddha Murder Case: লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুন করে আক্ষেপ নেই আফতাবের, জানালেন আধিকারিকরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুন করার জন্য কোনও আক্ষেপ নেই আফতাবের। মঙ্গলবার তার পলিগ্রাফ টেস্টের পর এমনটাই জানালেন আধিকারিকরা। শ্রদ্ধাকে খুনের কথাও নির্লিপ্ত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে সে।

ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবের আধিকারিকরা জানান, পলিগ্রাফ টেস্টে শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে খুনের (Shraddha Murder Case) কথা স্বীকার করেছে আফতাব। এমনকী নিজের লিভ-ইন পার্টনারের দেহ টুকরো টুকরো করে জঙ্গলে ফেলে আসার কথাও মেনে নিয়েছে অভিযুক্ত। একাধিক মহিলার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেনি সে। গোটা বিষয়টি নিয়ে তার কোনও আক্ষেপ নেই বলেও জানিয়ে দেয় আফতাব। ল্যাব আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় স্বাভাবিক আচরণই করছিল সে। শান্ত ভাবে শ্রদ্ধা খুনের গোটা ঘটনা খুলে বলেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কেন তুলনা টানছেন? হর্ষ ভোগলের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন পন্থ, দেখুন ভিডিও]

শারীরিক অসুস্থতার কারণে আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের প্রথম পর্ব বাতিল হয়ে যায়। পিছিয়ে যায় দ্বিতীয় সেশনও। ২৫ ও ২৬ নভেম্বর দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেশন হয়। এরই মধ্যে পলিগ্রাফ টেস্টে করে ফেরার পথে তরোয়াল নিয়ে আফতাবের উপর চড়াও হয়েছিল হিন্দু সেনার দুই সদস্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি ছোঁড়া হয় বলে দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল। আগামী ১ ডিসেম্বর নার্কো টেস্ট হবে আফতাবের। ইতিমধ্যেই আদালতের কাছ থেকে এ বিষয়ে অনুমতি পেয়েছে দিল্লি পুলিশ।

চলতি বছর ১৮ মে দিল্লির মেহেরৌলিতে প্রেমিকা শ্রদ্ধা ওয়াকারকে খুন করে তাঁর প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। খুনের পর লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরো করে আফতাব। প্রথমে তা রেখে দেয় ফ্রিজে। এরপর দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় তা ফেলতে থাকে সে। আফতাবকে ভালবেসে পরিবার, চাকরি, শহর ছেড়ে দিল্লিতে চলে এসেছিল তরুণী। যদিও তাঁর পরিণতি হয় মর্মান্তিক।

[আরও পড়ুন: হাই কোর্টের বিচারপতির সংখ্যা বাড়লেই সমস্যা মিটবে না, BJP নেতার মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.