Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

কংগ্রেস এবং বিজেপির গোপন আঁতাঁত প্রকাশ্যে, মেঘালয়ে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক অভিষেক

বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে পারে একমাত্র তৃণমূলই, দাবি অভিষেকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২২, ১৬:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২২, ১৬:৩৩

options
link
কংগ্রেস এবং বিজেপির গোপন আঁতাঁত প্রকাশ্যে, মেঘালয়ে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক অভিষেক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কংগ্রেস (Congress) এবং বিজেপির (BJP) গোপন আঁতাঁত প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে মেঘালয়। শিলংয়ে দাঁড়িয়ে একযোগে জাতীয় স্তরের দুই দলকে বিঁধলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলংয়ের এক কর্মিসভায় অভিষেকের কটাক্ষ, যারা মুখে বিজেপিকে হারানোর কথা বলে তাঁরাই মেঘালয়ে বিজেপি সমর্থিত সরকারকে সমর্থন করছে, এর থেকে মজার আর কিছু হতে পারে না।

মেঘালয়ের রাজনৈতিক সমীকরণ বলছে, এই মুহূর্তে সেরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম তথা প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। গত বছর কংগ্রেস (Congress) থেকে একসঙ্গে ১৩ জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। কংগ্রেসে যে জনা পাঁচেক বিধায়ক পড়ে রয়েছেন, তাঁরাও বিজেপি সমর্থিত এনপিপি (NPP) সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থনের বার্তা দিয়েছে। অর্থাৎ স্রেফ তৃণমূলের উত্থান রুখতে মেঘালয়ে কংগ্রেস ঘুরিয়ে বিজেপিকেই সমর্থন করছে। কংগ্রেস এবং বিজেপির এই আঁতাঁতকেই এদিন আক্রমণ করেছেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেছেন, মেঘালয়ে (Meghalay) বিজেপি কংগ্রেসকে সমর্থন করেছে, কংগ্রেস বিজেপিকে সমর্থন করছে, এনপিপি কংগ্রেসকে সমর্থন করছে। এর থেকে মজার আর কীই বা হতে পারে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: PAC চেয়ারম্যান হচ্ছেন রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী! নাম চূড়ান্ত বিধানসভায়]

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি কর্মিসভায় বলেছেন, “আমি ডঃ সাংমা এবং পিংরোপকে ধন্যবাদ জানাব, এটা বুঝতে পারার জন্য যে বিজেপিকে হারাতে পারে একমাত্র তৃণমূলই। বাংলার ফলাফল আপনারা দেখেছেন, কীভাবে আমরা বিজেপিকে উড়িয়ে দিয়েছি। আজ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে তাড়া করা হচ্ছে। আমাকেও করা হচ্ছে। আমাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে। কিন্তু অন্য দলগুলির থেকে তৃণমূলের পার্থক্য এটাই, আমাদের যখন হেনস্তা করা হয়, আমরা তার দ্বিগুণ প্রত্যয়ে দেশকে বিজেপির স্বৈরাচার মুক্ত করার জন্য লড়াই করি।”

[আরও পড়ুন: ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলের নির্বাচন অবৈধ, কমিটি বাতিলের নির্দেশ হাই কোর্টের]

অভিষেকের অভিযোগ, মেঘালয় এনপিপি সরকার বিজেপির হাতের পুতুল। দিল্লি, গুজরাট থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে মেঘালয়। বছরের পর বছর এভাবে উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে কেন উপেক্ষা করা হবে? প্রশ্ন তুলে সমাধানও বাতলে দিয়েছেন অভিষেক। তিনি জানিয়েছেন, “তৃণমূল ক্ষমতায় এলে মেঘালয়ের ভূমিপুত্ররাই মেঘালয় শাসন করবে। তৃণমূল শুধু একটা প্লাটফর্ম। বাংলা থেকে মেঘালয়কে শাসন করা হবে না।” এদিন শিলংয়ে প্রায় ৪৫ জন বিধায়ক এবং এমসিডি সদস্যকে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন অভিষেক। দলের কর্মীসভাতে কর্মীদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। মেঘালয়ে দলের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোরও উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য টোল ফ্রি নম্বরও চালু করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.