২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘মোদিজির নেতৃত্বে করোনা সংক্রমণে অন্যদের টেক্কা দিচ্ছে ভারত’, কটাক্ষ অধীরের

Published by: Paramita Paul |    Posted: August 12, 2020 2:04 pm|    Updated: August 12, 2020 3:22 pm

An Images

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: দেশ ও রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধোনা করলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরি (Adhir Ranjan Chowdhury)। বুধবার ফেসবুকে ক্ষোভ উগরে তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর কটাক্ষ, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সংক্রমণের নিরিখে প্রথম হওয়ার লক্ষ্যে ছুটছে ভারত। আর বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে অধীর মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে লেখেন, সরকারের উদাসীনতার জন্যই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।

জুলাই মাসের শেষের দিকে মোট করোনা (COVID-19) সংক্রমিতের সংখ্যার নিরিখে তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আমেরিকা (America) ও ব্রাজিল (Brazil)। আগস্টের শুরু থেকেই দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে দুই দেশকে টেক্কা দিয়েছে ভারত (India)। বুধবার দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৬৩৯ জন। এ নিয়ে এদিন কেন্দ্রকে তুলোধোনা করলেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরি। ফেসবুকে তিনি লেখেন, “মোদিজির নেতৃত্বে দেশ সারা বিশ্বে করোনা সংক্রমণে অন্য দেশকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে চলেছে, এখন স্থান তিন নম্বরে, আমেরিকা, ব্রাজিল, ভারত।”

[আরও পড়ুন: ভারতে ঢুকে ১ হাজার কোটির কেলেঙ্কারি! আয়কর বিভাগের নজরে চিনা নাগরিক]

একইসঙ্গে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অধীর। লিখেছেন, ”দিদি’র নেতৃত্বে বাংলায় করোনা সংক্রমণ এ দেশের দশ রাজ্যের মধ্যে জায়গা করেছে।” এদিনও তিনি রাজ্যে করোনা তথ্য গোপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে Covid death under reported বলে মনে করি। কারণ, বাংলায় বিশাল সংখ্যার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল যা আছে তারা MCCD অর্থাৎ Medical Certification of Causing of Death আওতায় নেই, ফলে মৃত্যুর কারণ থেকে অজানা। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আসল তথ্য দিচ্ছে না। অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।” এমন পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী করে অধীরের অভিযোগ, সরকারি উদাসীনতা ও অব্যবস্থার জন্য এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: বাড়ির সামনে মদ্যপানের আসর, প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে ১৫০ বার কোপাল দুই মদ্যপ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement