Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
এলাহাবাদ হাই কোর্ট

CAA বিক্ষোভকারীদের ছবি প্রকাশের জের, যোগী সরকারকে তুমুল ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

সরকার সংবিধানের উর্ধ্বে নয়, তোপ আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২০, ১৬:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২০, ১৬:৪৪

options
link
CAA বিক্ষোভকারীদের ছবি প্রকাশের জের, যোগী সরকারকে তুমুল ভর্ৎসনা হাই কোর্টের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার এলাহাবাদ হাই কোর্টে প্রশ্নের মুখে যোগী সরকার। কয়েকদিন আগেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের(CAA) প্রতিবাদকারীদের ছবি দেওয়া বড় হোর্ডিং দেখা যায় লখনউয়ের রাস্তায়। জনসমক্ষে টাঙানো সেই হোর্ডিং-এ ছিল ৫৩ জন আন্দোলনকারীদের নাম, ছবি, ঠিকানা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মামলা গড়ায় এলাহাবাদ হাই কোর্টে। হাই কোর্টের বিচারপতি ভর্ৎসনা করে এই ঘটনাকে “অত্যন্ত অন্যায়” বলে মন্তব্য করেন।

চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার, গোটা লখনউ শহরের বিভিন্ন রাস্তা ঢেকে যায় বড় বড় হোর্ডিং-এ। এই হোর্ডিং-এ ৫৩ জন সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনকারীদের নাম, ছবি-সহ ঠিকানা টাঙিয়ে দেওয়া হয়। ৫৩ জনের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এস আর দারাপুরি, সমাজকর্মী মহম্মদ শোয়েব, কবি দীপক কবীরের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। রয়েছে কংগ্রেসের স্থানীয় মহিলা নেত্রী সাদাফ জাফরের নাম-ছবিও। সূত্র মারফৎ খবর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশেই ওই হোর্ডিংগুলি পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে টাঙানো হয়েছে। তবে শুধুমাত্র বোর্ডিং টাঙিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি যোগী সরকার, আন্দোলনকারীদের প্রতিবাদে শহরে যে ক্ষতিপূরণ হয়েছে তাও আন্দোলনকারীদের থেকে আদায় করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয় উত্তরপ্রদেশ সরকার।

Advertisement

মন্ত্রী সদস্য মহসিন রাজা কড়া সুরে জানান, “সিএএ-বিরোধী প্রতিবাদের নামে এঁরা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করেছেন। তাঁরা রাজ্যের মানুষের ক্ষতি করেছেন এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছেন। এখন সেই ক্ষতিপূরণ তাঁদের কাছ থেকে আদায় করা হবে।” আন্দোলনকারীদের ধরিয়ে দিলে বা ধরতে সাহায্য করলে পুরস্কারেরও ঘোষণা করা হয় পোস্টারে। এলাহাবাদ হাই কোর্ট জানায়, দিল্লি হিংসার পর পরিবেশ মোটেই নিরাপদ নয়। সরকার সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এস আর দারাপুরির মতে, এটা অসাংবিধানিক। সরকার তাঁদের মানহানি করছে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলি।যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। রবিবার টুইটারে কংগ্রেস নেত্রীর তোপ, “উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার, তাঁর মাথা এবং যে সব অফিসার তাঁদের পথ অনুসরণ করছেন, তাঁরা নিজেদের সংবিধানের উর্ধ্বে ভাবছেন। হাই কোর্ট সরকারকেও বলে দিয়েছে, আপনারাও সংবিধানের উর্ধ্বে নন। আপনাদের ভুমিকাও বিচার করে দেখা হবে।”

বৃহস্পতিবার লখনউ শহর জুড়ে ওই পোস্টার পড়ার পর এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি গোবিন্দ মাথুরের বেঞ্চে চলে শুনানি। আজকের শুনানি চলাকালীন যোগী সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন প্রধান বিচারপতি মাথুর। তিনি বলেন, “সিএএ বিক্ষোভকারীদের নাম, ঠিকানা দিয়ে হোর্ডিং টাঙানো অত্যন্ত অন্যায়। সশরীরে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় ডিসিপি এবং মহকুমা শাসকদের।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.