১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

৪০০ কোটি টাকা নিয়ে ফেরার একাধিক ব্যবসায়ী! চার বছর পর অভিযোগ SBI-এর

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 9, 2020 11:41 am|    Updated: May 9, 2020 11:45 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বড়সড় ঋণখেলাপি চক্রের পর্দাফাঁস। স্টেট ব্যাংক-সহ মোট ৬টি ব্যাংক থেকে ৪১৪ কোটি টাকা ধার নিয়ে পলাতক আরও এক সংস্থার মালিক। আশ্চর্যজনকভাবে, এই ঘটনা সমানে আসার পর চার বছর সংস্থার কর্তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগই দায়ের করেনি স্টেট ব্যাংক। এবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

দিল্লির রামদেব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (Ram Dev International Limited) নামক এক চাল বিক্রেতা সংস্থাকে ২০১৬ সালেই ‘নন পারফরমিং অ্যাসেট’ হিসেবে ঘোষণা করে স্টেট ব্যাংক। তখনও সংস্থার উপর ৪১৪ কোটি টাকা ঋণের বোঝা ছিল। সংস্থাটি স্টেট ব্যাংক থেকে ১৭৩.১১ কোটি, কানাড়া ব্যাংক থেকে ৭৬.৯ কোটি টাকা, ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে ৬৪.৩১ কোটি টাকা, সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে ৫১.৩১ কোটি টাকা, কর্পোরেশন ব্যাংক থেকে ৩৬.৯১ কোটি টাকা এবং আইডিবিআই ব্যাংক থেকে ১২.২৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। তখনই জানা যায় সংস্থার মালিকরা পলাতক। দেউলিয়া ঘোষণার পর সংস্থাটির সম্পত্তি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন SBI কর্তারা। তখনও সংস্থার মালিকরা উপস্থিত ছিলেন না। অথচ তা সত্বেও ২০১৬ সালে অভিযোগ করা হয়নি।

[আরও পড়ুন: করোনার মার, আর্থিক ধাক্কা সামলাতে ১২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেবে কেন্দ্র]

এবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি সংস্থার মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে স্টেট ব্যাংক। অভিযোগপত্রেই উপরের ঘটনাক্রম বর্ণনা করেছে দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। SBI-এর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সংস্থার তিন ডিরেক্টর নরেশ কুমার, সুরেশ কুমার, সংগীতা এবং একজন অজ্ঞাতপরিচয় সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি, প্রতারণা-সহ একধিক মামলা ধারায় করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনায় প্রশাসনিক দায়িত্বে ব্যর্থ, অপসারিত বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের কমিশনার]

উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি RTI-এর উত্তরে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক। RBI জানায়, দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপীদের প্রায় ৬৮ হাজার কোটি টাকার ঋণ অনাদায়ের তালিকায় ফেলা হয়েছে। ঋণখেলাপিদের তালিকায় এমন বেশ কয়েকজনের নাম আছে যাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে তদন্ত চলছে। সেই তথ্য সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়েছে। এবার এই সংস্থার মালিকদের পলায়নের ঘটনা চাপ বাড়াবে কেন্দ্রের।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement