Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
রিজার্ভ ব্যাংক

করোনার মার, আর্থিক ধাক্কা সামলাতে ১২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেবে কেন্দ্র

বন্ড জমা রেখে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের থেকে টাকা নেবে অর্থ দপ্তর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২০, ১০:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২০, ১০:৫৬

options
link
করোনার মার, আর্থিক ধাক্কা সামলাতে ১২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেবে কেন্দ্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের দাপটে বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতি। এই মহামারির প্রভাবে আগে থেকেই ধুঁকতে থাকা ভারতীয় অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গিন যে, এই ধাক্কা সামলাতে বাজার থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ একলাফে অনেকটা বাড়াতে হল কেন্দ্রকে। শুক্রবার কেন্দ্র এবং রিজার্ভ ব্যাংকের (RBI) তরফে জানানো হল, চলতি আর্থিক বছরে বিভিন্ন ধরনের বন্ড জমা রেখে ১২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার। যা কিনা আগের অনুমানের তুলনায় অনেকটাই বেশি। আগে ঠিক ছিল, এই  ঋণের পরিমাণ হবে ৭ লক্ষ ৮০ হাজার  কোটি টাকা। 

বন্ড জমা রেখে রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে কেন্দ্রের ঋণ নেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। প্রতিবছরই বাজেটের ঘাটতি পূরণের জন্য এভাবেই বন্ড জমা রাখা হয়। সেই বন্ড খোলা বাজারে  বা ব্যবসায়িক ব্যাংকগুলিকে দেয় রিজার্ভ ব্যাংক (Reserve Bank of India)। এ বছর বাজেটের পর ঠিক করা হয়েছিল দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য সপ্তাহে ১৯ হাজার থেকে ২১ হাজার কোটি টাকা করে ঋণ নেবে সরকার।  কিন্তু করোনার জেরে অর্থনীতি বিপর্যস্ত।  তলানিতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা ঋণ নিতে হচ্ছে সরকারকে। শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাংক এবং কেন্দ্র দুই তরফেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চলতি অর্থবছরে কেন্দ্রের ঋণের পরিমাণ বেড়ে হবে ১২ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহে ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে সহযোগিতা করছে না রাজ্য, মমতাকে কড়া চিঠি অমিত শাহর]

উল্লেখ্য, করোনার জেরে টানা দেড় মাসের লকডাউন কাটিয়ে এসেছে ভারত। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত লকডাউন উঠে গেলেও যে আগের মতো উৎপাদন শুরু হবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই পরিস্থিতিতে কতদিনে দেশ এই আর্থিক ধাক্কা সামলাতে পারবে, তা নিয়ে রীতিমতো সন্দেহ আছে। আগামী আর্থিক বছরে ভারতের বৃদ্ধির হার একেবারে তলানিতে ঠেকার ইঙ্গিত দিয়েছে একাধিক সমীক্ষক সংস্থা। এই অবস্থায় সরকারের এভাবে ঋণের পরিমাণ বাড়ানোটা যে একেবারেই ভাল বার্তা দিচ্ছে না, তা বলাই বাহুল্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.