BREAKING NEWS

১৭ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  রবিবার ৩১ মে ২০২০ 

Advertisement

মূর্তি ইস্যুতে মমতার পাশে অন্য বিরোধীরা, ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 16, 2019 5:21 pm|    Updated: May 16, 2019 5:21 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মূর্তি ভাঙা এবং তারপর কমিশনের নজিরবিহীনভাবে ৩২৪ ধারা প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত। সাঁড়াশি আক্রমণে এরাজ্যের শাসকদল যখন চাপে, তখন প্রত্যাশিতভাবেই তৃণমূলের পাশে দাঁড়াল কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধীরা। দেশের সমস্ত বিজেপি-বিরোধী দল একযোগে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল। এদের মধ্যে সব থেকে প্রবল সুর কংগ্রেসের।

[আরও পড়ুন: ‘বিজেপির কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে কমিশন’, বেনজির আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর]

নজিরবিহীনভাবে এই প্রথম ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ ধারার প্রয়োগ করে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রচারের সময়ও কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন৷ এরাজ্যের প্রতিটি রাজনৈতিক দল বৃহস্পতিবার রাত ১০টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার করতে পারবে বলে বির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন৷ সেই সঙ্গে সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্য এবং রাজ্যের এডিজি সিআইডি রাজীব কুমারকে৷ রাজ্যের মুখ্যসচিব মলয় দে’র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব৷ এবং রাজীব কুমারকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে।

এরপরই মমতার সমর্থনে সুর চড়ায় কংগ্রেস। একেএকে আহমেদ পটেল, রণদীপ সুরজেওয়ালা, অভিষেক মনু সিংভি বিজেপির নিন্দায় মুখর হন। কংগ্রেসের অভিযোগ, মোদি-শাহ মুখে কেন্দ্র-রাজ্য সহযোগিতার কথা বলেন। কিন্তু মোদি সরকারের আসলে ফ্যাসিবাদী। গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটি এক কালো দিন। পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে সংবিধানের আইন ভেঙেছে কমিশন। অখিলেশ যাদব, চন্দ্রবাবু নায়ডু, মায়াবতীদের মতো বিরোধী নেতারাও মমতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। সকলেরই একসুর, এটা কমিশন এবং বিজেপির ‘মিলি-ভগত’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পালটা এই নেতা-নেত্রীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: কমেছে প্রচারের সময়, শেষ মুহূর্তে রোড শোয়ে নেপালদেব-ইয়েচুরি]

আসলে, ফলাফলের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই জোট তৎপরতা বাড়ছে। ইতিমধ্যেই ভোট-পরবর্তী জোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন নায়ডু। কংগ্রেসের তরফে আগামী ২১ মে দিল্লিতে বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সূত্রের খবর, ফলাফলের দিন দেশের সব বিরোধী নেতানেত্রীকে দিল্লিতে চাইছে কংগ্রেস। সকলকে আমন্ত্রণ পত্রও পাঠানো হয়েছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পর ফের বিরোধীদের এক ছাতার তলায় আনার কাজটা তরান্বিত হল, বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement