Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Myanmar

সেপ্টেম্বরে মায়ানমার সফরে যাচ্ছেন ভারতের বিদেশসচিব ও সেনাপ্রধান, চিন্তায় বেজিং

এর ফলে আরও মজবুত হবে দু'দেশের সম্পর্ক, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২০, ১৮:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২০, ১৮:২১

options
link
সেপ্টেম্বরে মায়ানমার সফরে যাচ্ছেন ভারতের বিদেশসচিব ও সেনাপ্রধান, চিন্তায় বেজিং zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপরই ২ দিনের ঝটিকা সফরে বাংলাদেশ পৌঁছে যান ভারতের বিদেশসচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। এবার জানা গেল সেপ্টেম্বর মাসের প্রথমে তাঁর সঙ্গে মায়ানমার সফরে যেতে চলেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে (Manoj Mukund Naravane)। এই সফরে দু’দেশের মধ্যে যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া প্রকল্পগুলি নিয়ে কথা হওয়ার পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানা গিয়েছে। এই সফরের ফলে মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে চিন্তায় পড়েছে বেজিং।

সূত্রের খবর, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতেই এই সফর। যৌথ উদ্যোগে চলা প্রকল্পগুলির বিষয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি মায়ানমার (Myanmar) -এর কমান্ডার ইন চিফ সিনিয়র জেনারেল মিন আং হিলাংয়ের সঙ্গে দেখা করবেন শ্রিংলা ও নারাভানে। মায়ানমারের পশ্চিম সীমান্তে যেভাবে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চলছে সেটা রুখতে তাঁর সাহায্য চাওয়া হবে। মায়ানমারের দুটি কুখ্যাত জঙ্গি গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি যেভাবে নাশকতা ছড়ানোর চেষ্টা করছে তার বিস্তারিত তথ্য তুলে দেওয়া হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতে ৭৪ শতাংশ FDI, আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে বড়সড় ঘোষণা মোদির ]

ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, মায়ানমারের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য মিজোরামের কালাদান নদীর উপর দিয়ে মাল্টি মডেল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট বানাচ্ছে ভারত। আর এই প্রকল্পের কাজকে বন্ধ করতেই উঠে পড়ে লেগেছে আরাকান আর্মি (Arakan Army)। চিনের মদতপুষ্ট কাচিন আর্মির সাহায্যে ওই প্রকল্পের কাজে বাধা দিচ্ছে। সেখানে কর্মরত মানুষদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করছে। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে নাশকতার কাজে মদত দিচ্ছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে মায়ানমারের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

[আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরও উদাসীন প্রশাসন, গয়না বিক্রির টাকা দিয়ে রাস্তা বানাচ্ছেন গ্রামবাসীরাই]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.