বাংলার এই নির্বাচনকে ‘ভারতীয় গণতন্ত্রের অন্যতম কঠিন লড়াই’ বলে উল্লেখ করেছেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এর পরেও তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের পর আপ প্রধান দাবি করলেন, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় এসআইআর বিরোধী ভোট পড়েছে। কার্যত বাংলা জয়ে তৃণমূলকে এগিয়ে রাখলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
सुनने में आ रहा है कि पश्चिम बंगाल में जम के SIR के ख़िलाफ़ वोट पड़ रहा है। मोदी जी का SIR उनके ही ख़िलाफ़ जा रहा है।
Advertisement— Arvind Kejriwal (@ArvindKejriwal) April 24, 2026
বৃহস্পতিবার কেজরি এক্স হ্যান্ডেল নিজের মতামত জানান। সেখানে তিনি লিখেছেন, “শুনলাম যে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর বিরুদ্ধে ভোট পড়ছে।” এখানেই না থেমে আপ নেতা দাবি করেছেন, “মোদির এসআইআর মোদিরই বিরুদ্ধে গিয়েছে।” উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফায় ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট হয়েছে। ইতিহাস গড়ে স্বাধীনতার পর প্রথমবার বাংলায় ৯২.৭১ শতাংশ ভোট পড়েছে। এভাবে বিপুল হারে ভোট পড়ায় নানা মতামত সামনে আসছে। তৃণমূলের দাবি, প্রথম দফায় তারা ১৩২ থেকে ১৩৫টি আসনে জয়লাভ করতে চলেছে। অপরপক্ষে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির দাবি, ১১০ আসনে পদ্ম ফুটবে। উত্তর মিলবে আগামী ৪ মে ফল ঘোষণার দিন।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের হয়ে প্রচারে আসছেন কেজরিওয়াল। আগামী ২৬-২৭ এপ্রিল। দু’দিন প্রচার করবেন তিনি। এমটাই জানানো হয়েছে আম আদমি পার্টির তরফে। তৃণমূল ও আপ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দু’দিন কলকাতায় একাধিক জনসভা ও প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন কেজরিওয়াল। তৃণমূল সূত্রে খবর, ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় টালিগঞ্জ ফাঁড়িতে অরূপ বিশ্বাস ও দেবাশিস কুমারের সমর্থনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন কেজরিওয়াল। নির্বাচনী প্রচারের শেষ লগ্নে ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতার পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে বিঁধবেন। এমনটাই জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।
আম আদমি পার্টি সূত্রে খবর, আপের জাতীয় আহ্বায়ক কেজরিওয়াল তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রচারে আসছেন। ইতিমধ্যেই ফোনে কথাবার্তার মাধ্যমে তিনি তৃণমূল সুপ্রিমোকে পূর্ণ সংহতির বার্তা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বাংলার এই নির্বাচনকে তিনি, ‘ভারতীয় গণতন্ত্রের অন্যতম কঠিন লড়াই’ বলেও উল্লেখ করেছেন। মমতার জয়ের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তৃণমূল কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন নয়। বরং মমতার সঙ্গে কেজরির ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়া বহুদিনের। অতীতে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও এই সম্পর্কের প্রতিফলন দেখা গিয়েছিল। তখন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ সরাসরি আপের সমর্থনে প্রচারে অংশ নেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সমন্বয় শুধু প্রতীকী নয়। বরং জাতীয় স্তরে বিজেপি-বিরোধী শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ। সব মিলিয়ে, বিরোধী জোটের বার্তা আরও জোরদার করতে ও বিজেপির বিরুদ্ধে একসুরে আক্রমণ শানাতে কেজরিওয়ালের এই সফর যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সর্বশেষ খবর
-
দলে ভাঙনের মধ্যেই সোনিয়া সাক্ষাতে মমতা, কী কথা হল?
-
রাজ্য মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন মুখ্যমন্ত্রীর, কে কোন বিভাগের মন্ত্রী হচ্ছেন?
-
অন্ধকারে আলোর রেখা! প্রীতি ম্যাচ ৩৬ ধাপ উপরে থাকা তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র ভারতের
-
সুজিত বসুর পর উজ্জ্বল বিশ্বাস, গ্রেপ্তার আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী, এবার ত্রাণচুরির অভিযোগ
-
রাজস্থানে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঝলসে মৃত অন্তত ৭