অসমে বন্যা পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ১২ জেলার এখনও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৫ হাজার ১৪৮। বন্যা সম্পর্কিত কারণে নতুন করে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৬২। রাজ্যের ৮৫৬টি গ্রাম বন্যার জলে প্লাবিত। ৫৬,৬০৬ হেক্টরেরও বেশি জমির ফসল জলে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিশ্লেষকদের বক্তব্য, এর প্রভাব পড়বে খাদ্যমূল্যে।
নতুন করে যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে সাতজন চরাইদেও, ছ’জন শিবসাগরের, ১ জন জোরহাট জেলার। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে শিবসাগর। সেখানে ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫৫৫ জন বন্যাকবলিত। তার পরেই রয়েছে চরাইদেও (১,৮৮,৪০৪) এবং জোরহাট (১,২৬,৭৯৩)। এছাড়াও বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলি হল গোলাঘাট, চরাইদেও, ডিব্রুগড়, হোজাই, নগাঁও, বিশ্বনাথ, জোড়হাট, ধেমাজি, শিবসাগর, সোনিতপুর, কামরূপ (মেট্রো) এবং কার্বি আংলং।
সব মিলিয়ে ১,১৫,২০৫ জন মানুষ ৪৮৭টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। ৩৮১টি ত্রাণ বণ্টন কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে দুই লক্ষেরও বেশি মানুষকে ত্রাণ সাহায্য করা হচ্ছে। এদিকে, দিখৌ, দিশাং, ধানসিরি (দক্ষিণ) ও কুশিয়ারা নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কয়েকশো গবাদি পশু ভেসে গিয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে পাঁচশোর বেশি মুরগির খামার। বলা বাহুল্য, গোটা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সরকার। অন্যদিকে, নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে আবহাওয়া। কারণে অসমের আকাশে ঘনঘটা অব্যাহত।
সর্বশেষ খবর
-
বাগেশ্বর বাবার ছবি পুড়িয়ে দলীয় কর্মী গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে পথে নামছে কংগ্রেস
-
বকেয়া চেয়ে ফিফাতে অস্কারের দুই সহকারী, ব্যানের আওতায় পড়বে ইস্টবেঙ্গল?
-
এবার বেআইনি বহুতল নির্মাণে সিবিআই তদন্ত, কী আশঙ্কা করছে হাই কোর্ট?
-
ওটিটিতে একসঙ্গে মা-ছেলের অভিষেক! বর্ষপূর্তির আগেই অভিনয়ে পরিণীতির ছেলে নীর
-
শুরু ধর্মঘট, পরপর ৩ দিন বন্ধ ব্যাঙ্ক! পুজোর মুখে ভোগান্তি, জেলায় জেলায় বিক্ষোভ, দীর্ঘ লাইন এটিএমে