Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
রাজীব শর্মা

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার সাংবাদিক, ‘আতঙ্কে’ মৃত্যু বাবার, প্রতিবাদের ঝড় অসমে

চাপের মুখে পুলিশ সুপারকে সরিয়ে দিয়েছে অসম সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২০, ১৭:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২০, ১৭:০৭

options
link
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার সাংবাদিক, ‘আতঙ্কে’ মৃত্যু বাবার, প্রতিবাদের ঝড় অসমে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের সাংবাদিক নিগ্রহের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। এবার কাঠগড়ায় বিজেপি-শাসিত অসম (Assam)। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে অসমের ধুবুড়ি জেলার এক স্থানীয় টিভি চ্যানেলের সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং এক মহিলাকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ ছিল। ঘটনাচক্রে ওই সাংবাদিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর বাবার। যা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা অসম।

রাজীব শর্মা, অসমের স্থানীয় এক টিভি চ্যানেলের ধুবুড়ি (Dhubri) জেলার প্রতিনিধি। একই সঙ্গে তিনি ধুবুড়ি প্রেস ক্লাবের সম্পাদক। গত বেশ কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধ গরু পাচার নিয়ে একাধিক চাঞ্চল্যকর খবর ফাঁস করেছেন তিনি। যা অস্বস্তি বাড়াচ্ছিল স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের। রাজীবের ঘনিষ্ঠদের দাবি, একের পর এক অস্বস্তিকর খবর ফাঁস করায় রাজীবের বিরুদ্ধে পুরনো রাগ ছিল পুলিশের। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাঝরাতে পুলিশ যখন রাজীবকে তুলে নিয়ে যায় সেসময় বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। পরদিন সকালে রাজীব বাড়ি ফিরে দেখেন বাবা মৃত। রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। সেসময় আশেপাশে কেউ না থাকায় বিনা চিকিৎসায় বেঘোরে প্রাণ গিয়েছে ৬৪ বছরের সুধীন শর্মার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের রেলে কর্মসংস্থান? রেলমন্ত্রীর টুইট করা ভিডিও ঘিরে ধন্দ]

রাজীবের অভিযোগ তাঁকে মিথ্যে অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর গ্রেপ্তারির জন্যই মৃত্যু হয়েছে বাবার। যদিও পুলিশের দাবি রাজীবের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। ধুবুড়ির ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার তাঁর বিরুদ্ধে ৮ লক্ষ টাকা তোলাবাজির চেষ্টার অভিযোগ করেছেন। পালটা রাজীব সেই অভিযোগ ভুয়ো বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একযোগে সরব হয়েছে ধুবুড়ি প্রেস ক্লাব এবং গুয়াহাটি প্রেস ক্লাব। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছে তাঁরা। প্রতিবাদ করেছেন অসমের বুদ্ধিজীবীদের একাংশও। চাপের মুখে ধুবুড়ির পুলিশ সুপারকে সরিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে(CID) ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.