২৪ চৈত্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

অন্ধ্রের গোদাবরীতে ভয়াবহ নৌকাডুবি, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: September 15, 2019 5:03 pm|    Updated: September 15, 2019 5:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশে নৌকাডুবির ফলে মৃত্যু হল কমপক্ষে এগারোজনের। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন ৩৩ জন। রবিবার দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রের দেবীপট্টনমের কাছে, গোদাবরী নদীতে। উদ্ধার হওয়া বাকি যাত্রীদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: পোশাক নিয়ে মধ্যযুগীয় ফতোয়া, উত্তেজনা হায়দরাবাদের গার্লস কলেজে]

এপ্রসঙ্গে পূর্ব গোদাবরী এলাকার পুলিশ সুপার আদনান নইম আসমি জানান, ডুবে যাওয়া নৌকাটি থেকে ২৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ৩৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ত্রাণ ও পুর্নবাসন দপ্তরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। তাঁদের তত্ত্বাবধানে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৬০ জন সদস্য উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চরমসীমার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে গোদাবরী নদীর জল। এই অবস্থায় রবিবার দুপুরে রয়্যাল বশিষ্ঠ ওই নৌকা করে ঘুরতে বেরিয়ে ছিলেন পর্যটকদের একটি দল। নৌকার কর্মচারী-সহ মোট ৬২ জন রাজামুন্ডির কাছে অবস্থিত অন্ধ্রপ্রদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পাপিকোন্ডালুতে যাচ্ছিলেন। আচমকা দেবীপট্টনমের কাছে উলটে যায় তাঁদের নৌকাটি। এর ফলে মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নৌকা ডুবে যাওয়ার পর ১৭ জন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠে আসেন। পরে আরও সাতজনকে উদ্ধার করা হয়।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ফের হামলা পাকিস্তানের, খুদে পড়ুয়াদের প্রাণ বাঁচালেন ভারতীয় জওয়ানরা]

বর্তমানে উদ্ধারকারী দলের পাশাপাশি হেলিকপ্টার করে নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সম্পূর্ণ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডিও। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই গোদাবরী নদীতে পারাপার করা সমস্ত নৌকার অনুমতি বাতিল করেছেন তিনি। পাশাপাশি আধিকারিকদের ওই সমস্ত নৌকার হাল খতিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছেন স্থানীয় মন্ত্রী ও বিধায়করা। পাঠানো হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যটন দপ্তরের দুটি নৌকাও।

রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী মুথামসেট্টি শ্রীনিবাস রাও জানান, ওই নৌকাটিকে পর্যটন দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। বরং অনুমতি দিয়েছিল কাঁকিনাড়া বন্দর কর্তৃপক্ষ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এম সুচিত্রা জানিয়েছেন, ওই নৌকাটিকে যে আধিকারিকরা পারাপারের অনুমতি দিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement