২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

কাশ্মীরে ফের হামলা পাকিস্তানের, খুদে পড়ুয়াদের প্রাণ বাঁচালেন ভারতীয় জওয়ানরা

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: September 15, 2019 12:59 pm|    Updated: September 15, 2019 12:59 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বন্যা হোক বা পাকিস্তানের গোলাগুলি, কাশ্মীরিদের রক্ষা করতে সর্বদা সজাগ সেনা। শনিবার ফের তার প্রমাণ পেলেন ভূস্বর্গের সাধারণ মানুষ। পাকিস্তানের গোলাগুলির মাঝেই নিজেদের প্রাণ বিপন্ন করে একটি স্কুলের পড়ুয়াদের উদ্ধার করলেন সেনা জওয়ানরা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পুঞ্চ জেলার মেন্ধর তেহসিলের বালাকোট সেক্টরের সান্ডোট গ্রামে।

[আরও পড়ুন: ‘মনোভাব না বদলালে চিদম্বরমের মতো অবস্থা হবে’, মমতাকে হুমকি বিজেপি বিধায়কের]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৭০ ধারা বাতিলের পর জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী এলাকায় বারবার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। শনিবারও তার অন্যথা হয়নি। সীমান্তের ওপার থেকে পুঞ্চ জেলার বালাকোট সেক্টরে লাগাতার মর্টার ও গুলি ছুঁড়ছিল পাকিস্তানি সেনা। এর ফলে সমস্যায় পড়ে যান সীমান্তের এপারে থাকা গ্রামগুলির বাসিন্দারা। সংকটে পড়ে সীমান্তের ধারে থাকা সান্ডোট গ্রামের একটি সরকারি স্কুলের খুদে পড়ুয়ারা। গোলাগুলির জেরে স্কুলের ঘরেই মধ্যেই আটকা পড়ে তারা। খবর পেয়ে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে তাদের বাঁচাতে ছুটে আসেন ওই এলাকায় থাকা ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। তারপর তাদের উদ্ধার করে নিজেদের বুলেটপ্রুফ গাড়ি করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন।

ওই সময়ের একটি ভিডিও স্যোশাল মিডিয়াতে পোস্ট হওয়ার পরেই ভাইরাল হয়ে। সেনা জওয়ানদের প্রশংসায় মুখর হয়ে উঠেছেন নেটিজেনরা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের ধারে থাকা স্কুল থেকে পিঠে ব্যাগ নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে আসছে একদল খুদে পড়ুয়া। কিছুটা দৌড়ানোর পরেই দুটি একরত্তিকে নিজের কোলে তুলে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে দেখা গেল এক জওয়ানকে। তারপর সবাইকে নিয়ে এসে রাস্তার ধারে থাকা তাদের বুলেটপ্রুফ গাড়িতে তুলে দেয়। আর তারপর নিয়ে আসে নিরাপদ স্থানে।

[আরও পড়ুন: একটানা গুলির লড়াইয়ে সাফল্য, সুকমায় খতম ৩ মাওবাদী]

ভিডিওটি দেখার পরে নেটিজেনরা কেউ কেউ বলছেন, জওয়ানরা এরকমই হন। দেশ ও দেশবাসীকে রক্ষার কাজকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেন। না হলে যেখানকার মানুষরা সুযোগ পেলেই সেনার উপর পাথর ছোঁড়ে। তাদের বন্যা বা অন্যান্য বিপর্যয়ে নিজের জীবন বিপন্ন করে বাঁচান জওয়ানরা। শনিবার ফের সেই ঘটনাই ঘটল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement