Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
বিস্ফোরণ

গাজিয়াবাদের কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত অন্তত ৭, দুর্ঘটনার রিপোর্ট তলব করলেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ সন্ধের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২০, ২০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২০, ২০:৩৩

options
link
গাজিয়াবাদের কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত অন্তত ৭, দুর্ঘটনার রিপোর্ট তলব করলেন মুখ্যমন্ত্রী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের (Ghaziabad) মোদিনগরের একটি কারখানা। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত সাতজন। চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রবিবার দুপুরে আমচকা বিকট শব্দ শুনতে পান ওই মোমবাতি তৈরির কারখানার আশেপাশের বাসিন্দারা। তারপরই জানা যায় কারখানাতেই হয়েছে বিস্ফোরণ। ভিতরে থাকা কমপক্ষে সাতজনের এখনও মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। গাজিয়াবাদের জেলাশাসক অজয় শংকর পাণ্ডে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লাদাখ সফরের দু’দিন পরই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন মোদি, কূটনৈতিক মহলে জল্পনা]

ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে পুলিশ ও দমকলকর্মীরা। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। ভিতরে এখনও কেউ আটকে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ঠিক কীভাবে বা কী থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটল, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। ছুটির দিনে হঠাৎই এমন ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কী হয়েছে দেখতে, কারখানার কাছে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। এদিকে, গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখে আজ সন্ধের মধ্যেই জেলাশাসক ও পুলিশ আধিকারিকের থেকে রিপোর্ট তলব করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

 যোগী সরকারের তরফে মৃতদের পরিবারের জন্য চার লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার খরচ দেবে সরকার। তাঁদের পরিবার পিছু দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা।

[আরও পড়ুন: অসাধ্যসাধন DRDO’র, মাত্র ১২ দিনে দিল্লিতে তৈরি হল বিশ্বের বৃহত্তম কোভিড হাসপাতাল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.