BREAKING NEWS

২৩ আষাঢ়  ১৪২৭  বুধবার ৮ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

অযোধ্যা মামলায় মধ্যস্থতাকারীদের থেকে দ্রুত রিপোর্ট চাইল সুপ্রিম কোর্ট

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: July 11, 2019 12:54 pm|    Updated: July 11, 2019 12:54 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অযোধ্যা মামলায় দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করেও মধ্যস্থতাকারী কমিটির রিপোর্ট জমার সময়সীমা কমাল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি এফএম কালিফুল্লার নেতৃত্বাধীন ওই কমিটিকে বাতিল করে দ্রুত শুনানি করার আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার, সেই আবেদন খারিজ করে করে দিল সর্বোচ্চ আদালত। পাশাপাশি অযোধ্যা মামলার মীমাংসার জন্য কমিটিকে যে রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা জমা দেওয়ার সময়সীমাও কমানো হল। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ২৫ জুলাই।

[আরও পড়ুন- রেলকে চাঙ্গা করতে তৎপর সরকার, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বরাদ্দ বাড়াল কেন্দ্র]

বৃহস্পতিবার এপ্রসঙ্গে বিচারপতিরা জানান, অযোধ্যা মামলার মীমাংসার জন্য একটি মধ্যস্থতা কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তাই তাদের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। মধ্যস্থতাকারীদের রিপোর্ট জমা দিতে দিন। রিপোর্ট খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে এর উপর নির্ভর করা হবে না এই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানান, মধ্যস্থতাকারী কমিটির প্রধানকে এই বিষয়ে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে ওই রিপোর্ট হাতে এলেই পরবর্তী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওই কমিটির কাজ শেষ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে ২৫ জুলাই অযোধ্যার জমি সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু করা হবে।

[আরও পড়ুন- নিজেকে নয়, আমেঠিতে হারের জন্য স্থানীয় নেতাদেরই দূষলেন রাহুল গান্ধী]

অযোধ্য মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করলেও কমিটির রিপোর্ট জমার সময়সীমা কমিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে মধ্যস্থতার কাজ কোন পর্যায়ে আছে এই বিষয়ে কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

দু’যুগের বেশি সময় ধরে আদালতে বিচারাধীন রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলাটি। মূলত এটি জমি বিবাদ সংক্রান্ত মামলা হলেও এর সঙ্গে ধর্মীয় আবেগ জড়িয়ে আছে। তাই একে অন্য মামলার মতো না দেখে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিছুদিন আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এফএম কলিফুল্লা, অ্যাধাত্মিক গুরু ও আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশনের কর্ণধার রবিশংকর ও বর্ষীয়ান আইনজীবী শ্রীরাম পঞ্চু-কে নিয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এদের দায়িত্ব ছিল আদালতের বাইরে সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমঝোতার রাস্তা বের করার। এর জন্য গত ১০ মে-র শুনানিতে রিপোর্ট জমার সময়সীমা বাডা়নোর আবেদন করে এই কমিটি। তাদের দাবি মেনে নিয়ে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট করে শীর্ষ আদালত। তারপরই এই কমিটিকে বন্ধ করে দিয়ে প্রতিদিন শুনানি করে এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করার আবেদন করা হয়েছিল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement