BREAKING NEWS

২৩ শ্রাবণ  ১৪২৭  রবিবার ৯ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

অমানবিক! চিৎকার করায় ১৮টি সারমেয়কে বিষ খাইয়ে মারল মাছ ব্যবসায়ী

Published by: Sulaya Singha |    Posted: May 27, 2019 5:14 pm|    Updated: May 27, 2019 5:14 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘অপরাধ’ ছিল চিৎকার করা। আর অপরাধ করলে শাস্তি তো পেতেই হবে। এখানে অপরাধীর তালিকায় একদল সারমেয়। ‘উচিত শিক্ষা’ দিতে তাই তাদের বিষ খাইয়ে হত্যা করল এক ব্যক্তি। মর্মান্তিক, অমানবিক, পৈশাচিক- কীভাবে এ ঘটনা ব্যাখ্যা করা যায়, জানা নেই। কিন্তু তামিলনাড়ুর ব্যক্তির এমন কাণ্ড ফের একবার মানুষের হিংস্র মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটালো। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই নিন্দায় সরব সকলে।

[আরও পড়ুন: হাজারেরও বেশি মানুষকে খাবার খাইয়ে বিশ্বরেকর্ড, নেটদুনিয়ায় প্রশংসিত যুবক]

মাস তিনেক আগে কলকাতার এক হাসপাতালে কুকুরছানা পিটিয়ে মারার ঘটনা রাজ্যজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। নিন্দার ঝড় উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়াতেও। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এবার সামনে এল অনেকটা একইরকম ঘটনা। এবারের ঘটনাস্থল তামিলনাড়ু। অভিযোগ, ১৮টি সারমেয়কে বিষ খাইয়ে হত্যা করে এক মাছ ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে তিরুপুর নর্থ থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কঙ্গনাগিরির একদল বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৩ মে ওই এলাকার বাসিন্দারা দেখেন, কয়েকটি কুকুর মুখে ফেনা তুলে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ছে। পরের দিন একইভাবে মৃত্যু হয় আরও চার সারমেয়র।

শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি কুকুরকে যন্ত্রণায় ছটফট করতেও দেখা যায়। এলাকার লোকেরাই তাদের উদ্ধার করে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসক জানান, সারমেয়দের বিষ দেওয়া হয়েছে। এই সারমেয়দের মধ্যে ছিল এক বাসিন্দার পোষ্যও। তাঁর বাড়ির বাইরের সিসিটিভিতে ধরা পড়ে, এক ব্যক্তি ওই পোষ্যকে খাবার খাওয়ানোর কিছুক্ষণ পরই মারা যায় সে। তারপরই সন্দেহ দৃঢ় হয়। সিসিটিভি ফুটেজেই স্পষ্ট হয় ব্যক্তির পরিচয়। জানা যায়, অভিযুক্তর নাম গোপাল। ওই এলাকারই বাসিন্দা সে।

[আরও পড়ুন: ফেজ টুপি পরায় মুসলমান যুবককে ‘মার’, ঘটনার তীব্র নিন্দায় গৌতম গম্ভীর]

সেচের ট্যাঙ্ক থেকে রাতে মাছ ধরে তা বাড়ি এনে পরিষ্কার করে। তারপর দোকানে ও হোটেলে মাছ বিক্রি করে। রাতে মাছ ধরে বাড়ি ফেরার সময় তাকে দেখে চিৎকার করে ডাকত রাস্তার কুকুররা। তাকে ধাওয়াও করত। আর তাতেই বিরক্ত হয়ে মাছের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ওই সারমেয়দের খাইয়ে দেয় সে। বাসিন্দাদের দাবি, ওই ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তার করা হোক। যদিও থানায় এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement