Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বরেকর্ড

হাজারেরও বেশি মানুষকে খাবার খাইয়ে বিশ্বরেকর্ড, নেটদুনিয়ায় প্রশংসিত যুবক

'সার্ভ নিডি' নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও চালু করেছেন ওই যুবক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৯, ১৬:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৯, ১৬:০৫

options
link
হাজারেরও বেশি মানুষকে খাবার খাইয়ে বিশ্বরেকর্ড, নেটদুনিয়ায় প্রশংসিত যুবক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।”  একটু বড় হওয়ার পর থেকে স্বামী বিবেকানন্দের এই বাণীকেই জীবনের মূল মন্ত্র বানিয়ে ফেলেছিলেন তেলেঙ্গানার গৌতম কুমার। এই মানসিকতার জন্য করতে অনেক আত্মত্যাগও করতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু, কোনওকিছুই দূর করতে পারেনি তাঁর মানবসেবার অভ্যেসকে। এবার একদিনে হাজার জনের বেশি মানুষকে নিজে হাতে খাইয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন হায়দরাবাদের ওই যুবক। গরিব মানুষদের সাহায্য করার জন্য হায়দরাবাদে ‘সার্ভ নিডি’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও চালু করেছেন তিনি। রবিবার হায়দরাবাদে হাজার জনের বেশি মানুষকে খাবার খাইয়ে নিজের নাম ইউনিভার্সাল বুক অফ রেকর্ডস-এ তুললেন ওই যুবক।

[আরও পড়ুন- ‘তামিলনাড়ুতে পা রাখতে দেব না বিজেপিকে’, হুমকি স্ট্যালিনের]

রবিবার সকালে প্রথমে গান্ধী হাসপাতাল গিয়ে সেখানে থাকা মানুষদের নিজে হাতে খাবার খাওয়ান গৌতম। তারপর রাজেন্দ্র নগর ও সবশেষে ছোটা উপল এলাকার আম্মা নান্না অনাথ আশ্রমে গিয়ে সেখানকার বাচ্ছাদের খাবার খাওয়ান। এই মানবিক কাজের জন্য ওইদিনই তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভারতের দায়িত্বে থাকা ইউনিভার্সাল বুক অফ রেকর্ডস-এর প্রতিনিধি কে ভি রামানা রাও এবং তেলেঙ্গানার দায়িত্বপ্রাপ্ত টি এম শ্রীলতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন- মোদির পথেই ‘রাডার’ ব্যাখ্যা সেনাপ্রধানের, সমালোচনা হলেও কথায় যুক্তি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা]

এপ্রসঙ্গে গৌতম কুমার বলেন, “২০১৪ সালে প্রথম পথচলা শুরু করে সার্ভ নিডি। বর্তমানে আমাদের প্রায় ১৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। জন্মলগ্ন থেকেই দুঃস্থ মানুষদের সেবায় কাজ করছে আমাদের সংগঠন। তবে, আজ একা হাতে এক হাজার মানুষকে খাওয়ানোর জন্য এই বিশ্বরেকর্ড হল। ইউনিভার্সাল বুক অফ রেকর্ডস-এর পক্ষ থেকে এই রেকর্ডের জন্য একটি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। আমার সংগঠনের মূল লক্ষ্য হল, কেউ যেন অনাথের মতো মারা না যায়। যখনই কোনও মানুষ এই ধরনের সমস্যায় পড়বে তখনই আমরা সেখানে পৌঁছে যাব। সংগঠনের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে যাতে আরও বেশি মানুষকে সাহায্য করতে পারি। কেউ যাতে অভুক্ত অবস্থায় মারা না যায়। এই কাজে সাধারণ মানুষ এবং সরকার এগিয়ে এলে আমরা আরও অনেককে সাহায্য করতে পারব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.