Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mohan Delkar

মোদি-শাহকে চিঠি লিখেও উত্তর না পেয়ে আত্মঘাতী সাতবারের সাংসদ! অভিযোগ কংগ্রেসের

কংগ্রেসের প্রশ্ন, তাঁরা কি ইচ্ছা করেই ওঁর চিঠিগুলিকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২১, ১২:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২১, ১২:১০

options
link
মোদি-শাহকে চিঠি লিখেও উত্তর না পেয়ে আত্মঘাতী সাতবারের সাংসদ! অভিযোগ কংগ্রেসের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাদরা ও নগর হাভেলির (Dadra and Nagar Haveli) সাংসদের আত্মহত্যার ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ করল কংগ্রেস। তাদের দাবি, নিহত মোহন দেলকর সাহায্য চেয়ে একাধিক চিঠি লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে (OM Birla)। কিন্তু তাঁরা সকলেই এব্যাপারে উদাসীন থেকেছেন। শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই অভিযোগ জানালেন কংগ্রেস নেতা শচীন সাওয়ান্ত।

কংগ্রেস নেতার কথায়, ”আত্মহত্যার আগে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আর্তি জানিয়ে বহুবার চিঠি লিখেছিলেন উনি। বিষয়টা একজন সাংসদের বাঁচা-মরার প্রশ্ন। ওঁদের উচিত ছিল দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া। তাই প্রশ্ন উঠছে, তাঁরা কি ইচ্ছা করেই ওঁর চিঠিগুলিকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন?” পাশাপাশি কংগ্রেস নেতা কাঠগড়ায় তুলেছেন দাদরা ও নগর হাভেলির প্রশাসকদের দিকেও। তাঁর দাবি, ওই সাংসদকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বিজেপিকে একটিও ভোট নয়’, কলকাতায় এসে আরজি কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের]

শচীন সাওয়ান্তের দাবি, গত ১৮ ডিসেম্বর ও ৩১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন মোহন। পাশাপাশি ১৮ ডিসেম্বর ও ১২ জানুয়ারি অমিত শাহকেও চিঠি লিখেছিলেন। এছাড়া ওম বিড়লাকে ৩টি চিঠি লেখার পাশাপাশি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ভূপেন্দ্র যাদবকেও চিঠি লিখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে অ্যাপয়েন্টমেন্টও চেয়েছিলেন। কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি।

প্রসঙ্গত, মোহন দেলকর ৭ বারের সাংসদ। প্রতিবারই তিনি দাদরা ও নগর হাভেলি কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৯ সালে নির্দল হয়ে ভোটে লড়ে সাংসদ (MP) হয়েছিলেন তিনি। মৃত্যুর দিন কয়েক আগে দক্ষিণ মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভ হোটেলে ওঠেন তিনি। এরপর সেখান থেকেই তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পাশ থেকে উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোটও। তা হাতে পেয়ে পুলিশের অনুমান, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মাত্র ৫৮ বছর বয়সি সাংসদের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে হতবাক তাঁর সহকর্মীরা। কীভাবে, কেন এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও বুঝে উঠতে পারেননি কেউই। এই পরিস্থিতিতে সামনে এল কংগ্রেসের এই অভিযোগ।

[আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে ফের সাধারণের জন্য শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা, প্রকাশ্যে নির্ঘণ্ট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.