BREAKING NEWS

১১ কার্তিক  ১৪২৭  বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‌চাষের জন্য নেওয়া ঋণ শোধ করার পরেও এজেন্টদের হেনস্তা, অপমানে আত্মঘাতী চাষি

Published by: Abhisek Rakshit |    Posted: September 28, 2020 9:23 am|    Updated: September 28, 2020 9:23 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ ঋণ শোধ করতে না পেরে দেশের কোনও না কোনও প্রান্তে প্রতিনিয়ত ঘটছে কৃষক আত্মহত্যার (Farmer Suicide) ঘটনা। তার উপর কেন্দ্রের আনা নয়া কৃষি আইনে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চাষিরা। এই পরিস্থিতিতে ঋণ শোধ করেও আত্মঘাতী হলেন এক চাষি। মর্মান্তিক ঘটনাটি পাঞ্জাবের (Punjab) অমৃতসরের (Amritsar)। চাষের জন্য নেওয়া ঋণ শোধ করলেও যে দুই এজেন্টের মাধ্যমে সেই ঋণটি পেয়েছিলেন, তাঁদের লাগাতার অপমান সহ্য করতে পারছিলেন না তিনি। যার জেরে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। 

জানা গিয়েছে, মৃত ওই চাষির নাম রঞ্জিত সিং। শনিবার অমৃতসরের হর্ষ চিন্না গ্রামে নিজের বাড়িতেই আত্মঘাতী হন ৪০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি। মৃত্যুর আগে একটি ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন তিনি। সেখানে ওই দুই এজেন্ট সতীন্দর পাল সিং এবং জগরুপ সিংকে তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন। এর মধ্যে সতীন্দর আবার বৈশালী গ্রামের মোড়ল বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন:‌ তীব্র শীতেও চিনকে টক্কর দিতে তৈরি ভারতীয় সেনা, লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন T-90 ট্যাঙ্ক

এদিকে, রঞ্জিত সিংয়ের বাড়ির লোকের অভিযোগ, চাষের জন্য ওই দু’‌জনের কাছ থেকে মোট চার লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন রঞ্জিত। কিন্তু সময়েই সেই টাকা ফেরত দিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু লোনের জন্য যে দু’‌টি চেক দিয়েছিলেন তা ওই দুই এজেন্ট ফেরত দিতে চাইছিল না। এমনকী রঞ্জিত যে ঋণ পরিশোধ করেছেন, তা পুরোপুরি অস্বীকার করে আদালতে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছিল দুই এজেন্ট। আরও চার লক্ষ টাকা দাবিও করে তারা। এরপরই চরম এই পথ বেছে নিলেন ওই চাষি।

[আরও পড়ুন:‌ কৃষি বিল বিতর্কে নয়া মোড়, মিলছে না সরকারের বয়ান ও রাজ্যসভার ভিডিও ফুটেজ]

এই প্রসঙ্গে রঞ্জিতের ভাই প্রদীপ সিং জানান, ‘‌‘মা’‌কে গোটা বিষয়টি জানিয়েছিলাম। দাদা খুব চিন্তায় ছিলেন। ওই দু’‌জন আরও চার লক্ষ টাকা দাবি করছিল। ওদের জন্যই দাদা এই কাজ করল।‌’‌’‌ ইতিমধ্যে দু’‌জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়াতে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে রঞ্জিত সিংয়ের ভিডিওটিও। সেটিকে কাজে লাগিয়ে তদন্তের দ্রুত কিনারা করতে চাইছে পুলিশ। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement