Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Saraswati Puja

দিল্লিতেই থাকতে হবে, নাড্ডার নির্দেশের পর রাজধানীতে সরস্বতী পুজোর আয়োজনে বঙ্গ বিজেপি

শুক্রবার এনডি জোটের সাংসদদের দিল্লি ভোটের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বৈঠকে বসেন নাড্ডা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫, ০৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫, ০৮:৫৭

options
link
দিল্লিতেই থাকতে হবে, নাড্ডার নির্দেশের পর রাজধানীতে সরস্বতী পুজোর আয়োজনে বঙ্গ বিজেপি zoom

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত, নয়াদিল্লি: নির্বাচন দিল্লি বিধানসভার। তার দু’দিন আগে সরস্বতী পুজো। কিন্তু দিল্লির ভোট না মেটা পর্যন্ত রাজধানীর মাটি ছাড়া যাবে না। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশ পেতেই বাংলার বিজেপি সাংসদদের বেশ কয়েকজন দিল্লির বাড়িতেই সরস্বতী পুজোর আয়োজন শুরু করে দিয়েছেন। শুক্রবার এনডি জোটের সাংসদদের দিল্লি ভোটের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বৈঠকে বসেন নাড্ডা।

প্রত্যেককে একটি করে বুথের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কাউকে আবার একটি মণ্ডলের। বিতর্কে জড়ানোর পাশাপাশি দিল্লি বিধানসভার ভোটের প্রচার তুঙ্গে তুলেছেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর পিছনে ছুটতে ছুটতে হতোদ্যম অবস্থা গেরুয়া ও কংগ্রেস শিবিরের। আবার দিল্লি দখলের আশা এবারও ছেড়ে দিতে গেরুয়া শিবিরকে পরামর্শ দিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। সেই রিপোর্ট হাতে আসতেই আরও কোমর বেঁধে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।

Advertisement

শুধু দিল্লির সাংসদ, বিধায়ক বা নেতা-কর্মীদের ওপর ভরসা রাখছে না পদ্মপক্ষের শীর্ষ কর্তারা। দলের সমস্ত সাংসদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও সাধারণ সম্পাদকদেরও মাঠে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন নাড্ডা। জানা গিয়েছে, এদিন কোন সাংসদ কোন বুথ বা মণ্ডলের দায়িত্বে থাকছেন লিখিত আকারে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, সেই এলাকার ভোটার লিস্টও তাঁদের দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খরব, বৈঠকে নাড্ডা জানান, দিল্লির ভোট দলের কাছে সম্মানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই শরিক সাংসদ এবং মন্ত্রীদেরও দিল্লিতে পড়ে থাকতে হবে। ৩ তারিখ পর্যন্ত প্রচারে শামিল হওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনের কৌশল নিয়ে এলাকার নেতা- কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। এছাড়াও ভোটের দিন ভোটারদের বুথে নিয়ে কাজও মন্ত্রী-সাংসদদের করতে হবে।

কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। মন্ত্রী বা সাংসদরা নতুন দিল্লির রাস্তাঘাট চিনলেও বাকি অংশ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে। এত কম সময়ের মধ্যে এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এলাকা চিনে ওঠা কার্যত অসম্ভব। তাই শেষ পর্যন্ত শীর্ষ নেতৃত্বের এই পরিকল্পনা আদৌ বাস্তবে ফল দেবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান সাংসদরাই। তার উপর কমিশনের নিয়মানুযায়ী, ভোটের দিন এলাকার ভোটার ছাড়াই বাইরের কারও প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা থাকে। তাই ভোটের দিন নিজে হাজির থেকে কীভাবে এলাকার ভোটারদের বুথে নিয়ে আসা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.