Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

বিহারে নিষিদ্ধ অন্ধ্রপ্রদেশের মাছ, ফরম্যালিন আতঙ্ক আরও বাড়ছে বাংলায়

বাংলাও কি মাছ নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটবে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৮, ২১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৮, ২১:২৪

options
link
বিহারে নিষিদ্ধ অন্ধ্রপ্রদেশের মাছ, ফরম্যালিন আতঙ্ক আরও বাড়ছে বাংলায় zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাস দুয়েক আগেই ভাগাড়কাণ্ড অধিকাংশ বাঙালির ভাতের পাত থেকে কেড়ে নিয়েছিল মাংসের আস্বাদ। ভাগাড় আতঙ্কে মাংসের গন্ধকেও ভয় পাচ্ছিলেন আদ্যোপান্ত মাংসপ্রেমী বাঙালিও। এবার একই আতঙ্ক মাছেও। তা নতুন কিছু নয়, মাস দুয়েক আগেই মাছে পরীক্ষা করে ফরম্যালিনের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু তাতে খুব একটা আমল দেওয়া হয়নি। দিব্যি মাছের বাজারে রুই-কাতলা বেছে বেছে কিনেছেন মৎস্যপ্রেমীরা। কিন্তু এবার মনে হয় এই ফরম্যালিন আতঙ্ককে গুরুত্ব দেওয়ার সময় এসেছে। কারণ ফরম্যালিন আতঙ্কে প্রথম পদক্ষেপ করেছে বিহার। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মাছ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিয়েছে প্রতিবেশী রাজ্য।

[‘বসকে বলো ছুটি দিতে’, মেয়ের আবদারে স্কুলে গেলেন কিরেন রিজিজু]

বিহার সরকার অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মাছ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিহার। বিহারের প্রাণীসম্পদ ও মৎস্য দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে যে মাছ আমদানি হচ্ছে তাতে ফরম্যালিনের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ফরম্যালিন যুক্ত মাছ খাওয়ার ফলে ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ছে বিহারবাসী। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া মাছে ফরম্যালিনের পরিমাণ পরীক্ষা করেছিল কলকাতা ও কোচির দুটি ল্যাব। দুটি ল্যাবের তরফেই জানানো হয়েছে অন্ধ্রের মাছে ফরম্যালিনের পরিমাণ বিপজ্জনক। প্রশ্ন হচ্ছে বিহারে যে মাছ নিষিদ্ধ বাংলাতেও সেই মাছই আমদানি হয়। স্বাভাবিকভাবে বাংলায় আসা মাছ কতটা নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[উৎসবের মরশুমে নগদের চাহিদা মেটাতে নয়া সিদ্ধান্ত RBI-এর]

মাছে-ভাতে বাঙালি। কিন্তু তা বোধহয় আর থাকার জো নেই। কারণ মাছে মিশছে ফরম্যালিন। বেশ কয়েকদিনের পুরনো মাছও টাটকা বলে চালাতে বাসি মাছে মেশানো হচ্ছে রাসায়নিক। তার জেরেই টাটকার মতো দেখায় মাছ। আর টাটাকা মাছের দামেই বাসি মাছ কিনে আনছেন বাঙালিরা। বাসি মাছ তো খেতেই হচ্ছে, তাতে শরীরে দফারফা। সেই সঙ্গে কমছে বাঙালির মাছপ্রীতিও। ভাগাড় কাণ্ড কেড়েছিল মাংস। আর ফরম্যালিনের ভয় কাড়ছে মাছ। বাঙালি যাবে কোথায়!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.