সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার পরিস্থিতির মধ্যে একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য বিহারে। বিহারের আরারিয়া জেলায় এক সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকের গাড়ি লকডাউনের মধ্যে রাস্তায় আটকানোর জেরে এক পুলিশ আধিকারিককে প্রকাশ্যে ওঠবোস করানো হল। ওঠবোসের ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। শুধু ওঠবোসই নয়, ওই পুলিশ আধিকারিককে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে।
ওই পুলিশ আধিকারিকের অপরাধ, তিনি লকডাউনের জন্য রাস্তায় একটি গাড়ি আটকেছিলেন। জানা যায়, ওই গাড়িটি একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকের। মনোজ কুমার নামে ওই ব্যক্তি জেলা কৃষি আধিকারিক। কোন সাহসে তাঁর গাড়ি আটকেছেন, এই অভিযোগে গণেশ তাতমা নামে ওই পুলিশ আধিকারিককে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয় এবং ওঠবোস করানো হয়। সোমবারের এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। কৃষি আধিকারিকের দাবি, তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও কনফারেন্সের জন্য অফিসে যাচ্ছিলেন। তাঁর তাড়া ছিল বলে তিনি পুলিশ আধিকারিককে ওঠবোস আর ক্ষমা চাইয়ে ছেড়ে দেন। সময় থাকলে ওই পুলিশ আধিকারিককে জেলে পাঠাতেন বলে হুমকি দিয়েছেন ওই আমলা।
[আরও পড়ুন: বড়লোকের স্যানিটাইজারের জন্য গরিবের ভাত মারার পরিকল্পনা! কেন্দ্রকে বিঁধলেন রাহুল]
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, চেকপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে সহকর্মীকে ওঠবোস করতে দেখেন আরও এক পুলিশ আধিকারিক। কিন্তু আমলার ভয়ে কিছু বলতে পারেননি। গণেশ তাতমাকে কান ধরে ওঠবোস করতে বলেন ওই আমলা। যদিও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানা বা পুলিশ কর্তারা কিছু মন্তব্য করতে চাননি। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ওি আমলার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের বিরোধীরা। আরজেডি আর কংগ্রেসের অভিযোগ, নীতীশ কুমারের সরকারে সব আমলাই নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন। বিহারে গত ১০ বছর ধরে পুলিশকে এমন আমলাদের হেনস্তা খুবই স্বাভাবিক চিত্র বলে দাবি বিরোধীদের।
[আরও পড়ুন: করোনা আবহেই মধ্যপ্রদেশে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ, মাস্ক না পরে শপথ একাধিক মন্ত্রীর!]
সর্বশেষ খবর
-
‘তোলাবাজি করলে ডিমভাজি ফ্রি’, বিজেপিতে ‘তৃণমূলীকরণে’র বিরুদ্ধে পোস্টার দলীয় কর্মীর
-
পাচারের বড় ছক বানচাল, দমদম বিমানবন্দরেই উদ্ধার কোটি টাকার দুর্লভ ‘সাপের মাথা’!
-
অস্ত্রোপচারের মাঝেই সোনুর কণ্ঠে কিংবদন্তি রফির গান, ভিডিও দেখে তাজ্জব নেটভুবন
-
জেলবন্দি আত্মীয়, জামিন পাওয়াতে ছত্তিশগড় হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির উপর কালাজাদু ৪ যুবকের!
-
ঠিকমতো খাবার পাচ্ছে না দত্তক-প্রাণীরা! খাদ্যে নজরদারির অধিকার অভিভাবকদের