১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

গুজরাটের চেয়ে এগিয়ে বাংলা, ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহর টুইটে ক্ষুব্ধ বিজেপি

Published by: Bishakha Pal |    Posted: June 12, 2020 6:01 pm|    Updated: June 12, 2020 6:01 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “গুজরাট অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে কিন্তু সাংস্কৃতিক দিক থেকে পিছিয়ে… বাংলা অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে কিন্তু সংস্কৃতিতে এগিয়ে।” ১৯৩৯ সালে একথা লিখেছিলেন ব্রিটিশ লেখক ফিলিপ স্প্রাট (Philip Spratt)। আর তাঁর সেই লেখা নিয়ে ৮০ বছর পর উত্তাল হল ভারতীয় রাজনীতি। তাঁর এই লেখা বৃহস্পতিবার টুইট করেন ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ (Ramachandra Guha)। তারপরই বিতর্ক শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আসরে নামেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

বৃহস্পতিবার সকালের দিকে ফিলিপ স্প্রাটের এই লেখাটি টুইট করেন রামচন্দ্র গুহ। তারপর থেকেই নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়। অনেকেই বলতে শুরু করে এই টুইটটি করা উচিত হয়নি ইতিহাসবিদের। অনেকে তাঁর বিরোধিতা করে পোস্টও করেন।

কিন্তু ব্যাপারটি নেটিজেনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রইল না। আসরে নামলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি। তিনি পালটা টুইট করে বলেন, “আগে ব্রিটিশরা ভারতবাসীদের বিভক্ত করে শাসন করার চেষ্টা করেছিল। আর এখন একজন বড়লোক ভারতীয়দের বিভক্ত করতে চায়। ভারতীয়রা এই জাতীয় ট্রিকসের পাল্লায় পড়বে না। গুজরাট ভাল, বাংলাও ভাল… ভারত ঐক্যবদ্ধ। আমাদের সাংস্কৃতিক ভিত্তি শক্তিশালী, আমাদের অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষাও বেশি।”

[ আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের মন্ত্রিসভায় করোনার থাবা, আক্রান্ত পরিষদীয় মন্ত্রী ধনঞ্জয় মুণ্ডে ]

এরপরই যেন কার্যত পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নেমে পড়েন রামচন্দ্র গুহ। তিনি বলেন, তিনি এই লাইনগুলি শেয়ার করেছেন মানে এই নয় তিনি একে সমর্থন করেন। রুপানিকেও একহান নেন তিনি। বলেন, গুজরাটকে অবশ্যই নিরাপদ হাতে থাকতে হবে।

গোটা বিষয়টির জন্য় রামচন্দ্র গুহ আই সেলের দিকে অভিযোগ তোলেন। বলেন, তিনি ৩০ বছর ধরে স্প্রাটের কথা জানানোর চেষ্টা করছেন, আর ‘ট্রোল আর্মি’র দৌলতে তা একদিনেই হয়ে গেল। 

[ আরও পড়ুন: ঐচ্ছিক নয়, এবার স্কুলে বাধ্যতামূলক বিষয়ে পরিণত হবে খেলাধুলো, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ]

কিন্তু দু’জনের মধ্যে এই টুইট চালাচালিতে আসরে নামের দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। ফিলিপ স্প্রাটের উদ্ধৃতিটি তুলে একটি লিঙ্ক শেয়ার করেন তিনি। সেখানে পোল্যান্ডে এখনও যে গুজরাটের এক রাজাকে সম্মান জানানো হয়, তার লিঙ্ক দেন তিনি। আর এতেই অবাক ইতিহাসবিদ। তিনি ফের টুইট করে লেখেন, তিনি তো ভেবেছিলেন শুধুমাত্র গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীই একমাত্র তাঁর টুইট নিয়ে ভাবিত। এখন তো তিনি দেখছেন দেশের অর্থমন্ত্রীরও একই অবস্থা।

অবশ্য টুইট-যুদ্ধের এখানেই ইতি নয়। নির্মলা আরও একটি টুইট করে লেখেন, ‘চিন্তা করবেন না। অর্থনীতি নিরাপদ হাতেই রয়েছে।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement