Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
হিরণ্যকশিপু

‘মমতা হিরণ্যকশিপুর বংশধর’, মুখ্যমন্ত্রীকে কুরুচিকর আক্রমণ সাক্ষী মহারাজের

উন্নাওয়ের সাংসদের সমালোচনায় সরব রাজনৈতিক মহল৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৯, ২২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৯, ২২:১৭

options
link
‘মমতা হিরণ্যকশিপুর বংশধর’, মুখ্যমন্ত্রীকে কুরুচিকর আক্রমণ সাক্ষী মহারাজের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্কিত মন্তব্য করায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার! নির্বাচন প্রচারপর্বে তাঁকে ঠিক যেভাবে দেখা গিয়েছিল, ভোট মিটলেও সেই স্বভাবের কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল না৷ এবার তিনি সরাসরি নিশানা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে বাংলায় যে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার সমালোচনা করতে গিয়ে আবারও বেলাগাম হলেন সাক্ষী মহারাজ৷ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুর বংশধর বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপির এই সাংসদ৷

[ আরও পড়ুন: রেস্তরাঁয় সামান্য গন্ডগোলের জেরে সেনা জওয়ানদের বেধড়ক মারধর, দেখুন ভিডিও ]

Advertisement

রবিবার হরিদ্বারে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ‘‘জয় শ্রীরাম বললেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষকে ধরে জেলে ভরছেন। জেলে তাঁদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিশ। এসব দেখে মনে হচ্ছে উনি হিরণ্যকশিপুর পরিবারের সদস্য।’’ এজন্য তৃণমূল নেত্রীকে বড় মূল্য চোকাতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন উন্নাওয়ের সাংসদ৷ বলেন, ‘‘দেবতাদের নাম উচ্চারণ করলে হিরণ্যকশিপু সকলকে বন্দি করতেন। হিরণ্যকশিপু নিজের ছেলেকেও রেয়াত করেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই কাজ করছেন। এই কাজের জন্য রাজনৈতিক ভাবে তাঁকেও চরম মূল্য চোকাতে হবে।’’

[ আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেননি মোদি, বিহারে ফিরেই ‘বদলা’ নিলেন নীতীশ ]

বিজেপি সাংসদের এই নিম্নরুচির মন্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই, বিতর্কের রেশ উঠেছে রাজনৈতিক মহলে৷ একজন জনপ্রতিনিধি অন্য এক সম্মানীয় মহিলা সম্পর্কে কীভাবে এমন মন্তব্য করলেন? উঠতে শুরু করেছে সেই প্রশ্ন৷ স্বভাবতই সাক্ষী মহারাজের এই মন্তব্যকে ঘিরে আবারও বেকায়দায় পড়েছে বিজেপি৷ লোকসভা ভোটের প্রচারপর্বেও বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছিলেন সাক্ষী মহারাজ। তাঁকে ভোট না দিলে উন্নাওয়ের ভোটারদের অভিশাপ দেবেন বলে হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। সেবারও তাঁর সমালোচনা করেছিল রাজনৈতিক মহল৷ এমনকী, দলের সাংসদদের বিতর্ক থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও৷ কিন্তু যা দেখা যাচ্ছে, সেই নির্দেশে কাজের কাজ তেমন একটা হয়নি৷ বহাল তবিয়তেই রয়েছেন সাক্ষী মহারাজের মতো বিতর্কিত জনপ্রতিনিধিরা৷ 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.