Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
মুম্বই পুলিশ

বাকি রয়েছে কোটি টাকার জলের বিল, মুম্বই পুলিশকে করখেলাপি বলল বিএমসি

এই তালিকায় নাম রয়েছে খোদ পুলিশ কমিশনারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১৭:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১৭:৪০

options
link
বাকি রয়েছে কোটি টাকার জলের বিল, মুম্বই পুলিশকে করখেলাপি বলল বিএমসি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জলকর দেয়নি পুলিশ। বহুদিন থেকেই নাকি এই জলকর বাকি পড়ে রয়েছে। সমাজসেবী শাকিল আহমেদ শেখ জলকর নিয়ে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কাছে আরটিআই ফাইল করেছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে বিএমসি জানিয়েছে, মুম্বই পুলিশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রায় মোট ৯৩ কোটি ৮৫ লক্ষ ৭৯ হাজার ১৫১ টাকার জলকর বাকি রয়েছে। এমনকী এই তালিকায় নাম রয়েছে খোদ পুলিশ কমিশনারের।

[ আরও পড়ুন: অমতে বিয়ে করায় অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করল বাবা ]

Advertisement

শাকিল শেখ জানিয়েছেন, তিনি বিএমসির কাছে একটি আরটিআই ফাইল করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, পুলিশ প্রশাসনের কতটা জলকর বাকি রয়েছে? তারা কতদিন পর্যন্ত জলকর দিয়েছে? কারাই বা জলকর দেয়নি? এর উত্তরেই বিএমসি একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তাই প্রকাশ পেয়েছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিএমসি জানিয়েছে, বেশিরভাগ বিভাগই ৪ থেকে ৫ মাস কোনও জলকর দেয়নি। এর মধ্যে রয়েছে মুম্বই পুলিশ কমিশনারের অফিস, ডিজিপির অফিস, ট্রাফিক পুলিশের অফিস ও জিআরপির অফিস। মোট ৪৬৬টি জলের লাইনের মধ্যে ৪৬২টি করখেলাপ করেছে। এদের একটি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

বিএমসির এমন তথ্য প্রকাশের পর হতবাক গোটা মুম্বই। সমাজবাদী পার্টির নেতা রইস শেখ বিএমসির কাছে আবেদন করেছেন, যারা জলকর এখনও দেয়নি তাদের জল পরিষেবা যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। মুম্বইয়ের নাগরিক ও অন্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে নাহলে দ্বিচারিতা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জানান, যদি সাধারণ নাগরিক জলকর না দেয়, তবে তাদের জলের কানেকশন কেটে দেওয়া হয়। তাহলে পুলিশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কেন কার্যকরী হবে না? কেন তারা অতিরিক্ত সুবিধা পাবে?

[ আরও পড়ুন: প্রায় ১৪০ দিন পর ভারতের জন্য আকাশপথ খুলে দিল পাকিস্তান ]

বিএমসির কংগ্রেস নেতা রবি রাজা জানিয়েছেন, রাজ্যকে দেখতে হবে যাতে এই বকেয়া টাকা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিটে যায়। পুলিশ জনগণের সেবায় নিয়োজিত। তাই তাদের জল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, এক্ষেত্রে রাজ্যকেই এগিয়ে আসতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.