Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বিএসএনএল কর্মী

১০ মাস ধরে মেলেনি বেতন, মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী বিএসএনএল কর্মী

বিএসএনএল অফিসের মধ্যেই গলায় দড়ি দেন ওই ব্যক্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৯, ১২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৯, ১২:৩৬

options
link
১০ মাস ধরে মেলেনি বেতন,  মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী বিএসএনএল কর্মী zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকমাস ধরেই টানাপোড়েন চলছে ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডে। অনেকদিন ধরেই বেতন পাচ্ছেন না কর্মচারীরা। তবে সব থেকে সঙ্গীন হয়েছে চুক্তিভিত্তিক কাজে নিযুক্ত কর্মীদের হাল। আর এর জেরে বিএসএনএল অফিসের মধ্যেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করলেন চুক্তির ভিত্তিতে কর্মরত এক কর্মী। ৫২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম রামকৃষ্ণন। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে কেরালার মালাপুরম জেলার নিলামবুর এলাকায়। মৃত ব্যক্তির পরিবারের স্ত্রী ও দুটি সন্তান রয়েছে।

[আরও পড়ুন: অযোধ‌্যায় পাথর খোদাই বন্ধ রাখল ভিএইচপি, অশান্তি রুখতে মোতায়েন আধাসেনা]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিএসএনএলের জন্মলগ্ন থেকেই চুক্তিভিত্তিক সাফাইকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন রামকৃষ্ণন। ৩০ বছর ধরে কাজ করার পরেও স্থায়ী হতে পারেননি তিনি। উলটে বিএসএনএলে টানাপোড়েনের জেরে গত ১০ মাস ধরে মাইনে পাচ্ছিলেন না। ফলে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছিল। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন রামকৃষ্ণন। তবে বৃহস্পতিবার যে তিনি আত্মঘাতী হবেন তা কেউই বুঝতে পারেননি।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে বিএসএনএলের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহন বলেন, ‘এই বছরের জানুয়ারি মাস থেকে মাইনে পাচ্ছেন না বিএসএনএলের মালাপুরম জেলার চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা। পাশাপাশি সপ্তাহে ছ’দিনের জায়গায় মাত্র তিনদিন কাজ দেওয়া হয়েছে। এমনকী দিনে ছ’ঘণ্টার জায়গায় কাজ করানো হচ্ছে মাত্র তিনঘণ্টা। এই সমস্ত ঘটনা রামকৃষ্ণনকে গভীর আর্থিক সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকমাস ধরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত আর সামলাতে পারলেন না। আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। কর্পোরেট কোম্পানি বিএসএনএল ও কেন্দ্রীয় সরকারের অসহযোগিতার ফলেই এই ঘটনা ঘটাতে বাধ্য হলেন তিনি।’

[আরও পড়ুন: সংঘর্ষবিরতি ভেঙে ফের হামলা পাকিস্তানের, শহিদ ভারতীয় জওয়ান]

সেন্টার অফ ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এলামারাম করিম এই বিষয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। তাতেও তিনি রামকৃষ্ণনের মৃত্যুর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। পাশাপাশি অভিযোগ করেন, মোবাইল কোম্পানি জিও-কে সাহায্য করার জন্য বিএসএনএলকে ধ্বংস করছে সরকার। পরিস্থিতি যা তাতে আগামী দিনে রামকৃষ্ণনের মতো অনেক কর্মীই আত্মহত্যার রাস্তায় হাঁটতে পারেন। তাই এখনই দেশজুড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির বিরুদ্ধে বিএসএনএল কর্মীদের সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানান করিম।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.