Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
কালোবাজারি

জরুরি পণ্যের কালোবাজারি রুখতে কড়া কেন্দ্র, হতে পারে ৭ বছরের জেলও

প্রতিটি রাজ্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী মজুতের নির্দেশ কেন্দ্রের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২০, ১৭:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২০, ১৭:৫১

options
link
জরুরি পণ্যের কালোবাজারি রুখতে কড়া কেন্দ্র, হতে পারে ৭ বছরের জেলও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে কালোবাজারি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা জনসাধারণকে যাতে হেনস্তা করতে না পারেন তার জন্য আজ প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে বাজারে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী মজুত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রতিটি রাজ্য-সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রধান সচিবদের সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা। সেখানে তিনি জানান, “২১ দিনের টানা লকডাউনে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হবে। তবে দেশের বেশিরভাগ কারখানাগুলি বন্ধ থাকায় কমছে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর উৎপাদন। তুলামূলকভাবে বাড়ছে খাবারের চাহিদা।” তিনি আরও বলেন, “এই পরিস্থিতি সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খাদ্যসামগ্রীর কালোবাজারি শুরু করবে, অতিরিক্ত দামে নিজেদের আখের গোছানোরও চেষ্ঠা করবে। তাই সাধারণ মানুষ যাতে বাড়িতে থেকেই জীবনধারণের সমস্ত প্রয়োজনীয় দ্রব্য পেতে পারেন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে রাজ্য সরকারকে।” তবে কালোবাজারি রুখতে শুধু মৌখিকভাবে নয় হাতেকলমে কড়া পদক্ষেপ নিতে ১৯৫৫ সালের জরুরি পণ্য পরিষেবা আইনও (Essential Commodities Act) জারি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কেউ যেন অভুক্ত না থাকে’, লকডাউনে ১.২ লক্ষ মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিলেন হৃতিক]

দেশের জরুরি পরিস্থিতিতে কালোবাজারি করলে ও ধরা পড়লে অভিযুক্তকে জরুরি পণ্য পরিষেবা আইন অনুযায়ী মোটা টাকার জরিমানা বা ৭ বছরের কারাদণ্ড অথবা দুটোই জরিমানা-সহ হাজতবাস হতে পারে। যেহেতু দেশে জরুরি পরিষেবা চলছে তাই এই সময় কোনও ব্যবসায়ী কালোবাজারি করলে তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না বলে জানান অজয় ভাল্লা। প্রতিটি রাজ্যের ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মুখ্যসচিবদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দ্রুত নিজেদের রাজ্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী মজুত রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

[আরও পড়ুন: দিল্লিতেই রয়েছেন মৌলানা সাদ, কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষ হলে জেরা করবে পুলিশ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.