Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
চন্দ্রবাবু

ক্ষমতা থেকে সরতেই এয়ারপোর্টে তল্লাশি, দুর্ব্যবহারের অভিযোগ চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে

জেড প্লাস ক্যাটাগরি নিরাপত্তা পেলেও কোনও সুবিধা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৯, ১৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৯, ১৯:৫০

options
link
ক্ষমতা থেকে সরতেই এয়ারপোর্টে তল্লাশি, দুর্ব্যবহারের অভিযোগ চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে সরতেই বদলে গেল দিন! অন্যরকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হল অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ড়ুকে। শুক্রবার বিজয়ওয়াড়া বিমানবন্দরে সাধারণ যাত্রীদের মতোই তল্লাশি করা হল এনডিএ-র প্রাক্তন শরিক টিডিপির সুপ্রিমোকে।

[আরও পড়ুন- হোটেলের নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে গুজরাটে মৃত ৭]

জানা গিয়েছে, শুক্রবার ইন্ডিগোর বিমানে হায়দরাবাদ যাচ্ছিলেন চন্দ্রবাবু। জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার জন্য তেইশজন স্বশস্ত্র দেহরক্ষী থাকা সত্ত্বেও তাঁকে অন্য যাত্রীদের মতো বাসে চড়ে বিমানের কাছে পৌঁছতে হয়। টার্মিনালে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁর গাড়িও। যদিও ২০০৩ সালে তিরুপতির আলিপিরি এলাকায় মাওবাদী হামলা হওয়ার পরেই জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।

Advertisement

এই ঘটনার পরেই এর পিছনে বিজেপি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ষড়যন্ত্র আছে বলে অভিযোগ জানায় টিডিপি। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, অন্ধ্রের সবচেয়ে বেশি সময় থাকা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্বব্যহার করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। টিডিপি নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিন্না রাজাপ্পা বলেন, “বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ শুধু ওনাকে অপমানই করেনি। জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় থাকলেও চন্দ্রবাবুর ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। আগে অনেক বছর বিরোধী দলনেতা থাকলেও কোনওদিন এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়নি তাঁকে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যাতে তাঁর যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে আমরা তার দাবি জানাচ্ছি।”

[আরও পড়ুন- তান্ত্রিকের সঙ্গে যৌন মিলনের প্রস্তাব স্বামীর! প্রতিবাদ করে খুন স্ত্রী]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে অন্ধ্রপ্রদেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার দাবি করেন চন্দ্রবাবু। কিন্তু, সেই দাবি মানতে রাজি না হওয়ায় এনডিএ জোট ছাড়েন। এরপরই দেশজুড়ে বিজেপি বিরোধী জোট গড়ে তুলতে সচেষ্ট হন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, সবার সঙ্গে দেখা করে বিরোধী দলগুলিকে একজোট করার উদ্যোগ নেন। কিন্তু, ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায় লোকসভার পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভা ভোটেও ভরাডুবি হয়েছে তেলুগু দেশম পার্টির। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ওয়াইএসআর কংগ্রেসের জগনমোহন রেড্ডি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.