Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Republic Day

দিল্লির আকাশে সুখোই-রাফালের সুরক্ষায় হাজার কেজি মুরগির মাংস! সাধারণতন্ত্র দিবসে অভিনব কৌশল

২০ থেকে ৩০ গ্রামের টুকরো করে পাঁচ কেজির প্যাকেটে সরবরাহ করবে একটি সংস্থা। দিনে ৩৪ থেকে ৫১টি প্যাকেট সরবরাহ করতে হবে সংস্থাকে। প্রশ্ন হল, সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের সঙ্গে মুরগির মাংসের সম্পর্ক কী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২১:১৬

options
link
দিল্লির আকাশে সুখোই-রাফালের সুরক্ষায় হাজার কেজি মুরগির মাংস! সাধারণতন্ত্র দিবসে অভিনব কৌশল zoom
Advertisement

নির্বিঘ্নে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের লক্ষ্যে ১২৭৫ কেজি হাড়বিহীন মুরগির মাংস কিনবে দিল্লি সরকার! এর জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি দরপত্র জারি করেছে দিল্লি সরকার। ওই দরপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০ থেকে ৩০ গ্রাম টুকরো করে পাঁচ কেজির প্যাকেটে সরবরাহ করতে হবে মাংস। দিনে ৩৪ থেকে ৫১টি প্যাকেট সরবরাহ করতে হবে সংস্থাকে। চমকানো মতো বিষয় বটে। প্রশ্ন উঠবে, সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের সঙ্গে মুরগির মাংসের  সম্পর্ক কী?

প্রতি বছরের মতো ২০২৬ সালের সাধারণতন্ত্র দিবসেও ভারতীয় সেনার যুদ্ধবিমানের মহড়া দেখবে গোটা বিশ্ব। বিমান প্রদর্শনী চাক্ষুষ করতে দেশ-বিদেশের হাই প্রোফাইল অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। প্রদর্শনী নিখুঁত করতে এবার শুরু হবে মহড়া। সেই কারণেই আকাশ সুরক্ষায় অভিনব কৌশল অবলম্বন করছে প্রশাসন। ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানগুলির উড়ানের পথে যাতে কোনও উড়ন্ত পাখি বাধা সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্যই এই অদ্ভুত পন্থা নিচ্ছে সরকার। দিল্লির আকাশে চিল ও বাজের মতো বড় পাখি বিপজ্জনক বাধা সৃষ্টি করে। বিমানের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে বায়ুসেনার মহার্ঘ যুদ্ধবিমানগুলি। এমনকী মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে বিমান চালকের। বিপজ্জনক পাখিদের ‘বিপথগামী’ করতেই ১,২৭৫ কেজিরও বেশি হাড়বিহীন মুরগি ব্যবহার করা হবে।

Advertisement

প্রতি বছরের মতো ২০২৬ সালের সাধারণতন্ত্র দিবসেও ভারতীয় সেনার যুদ্ধবিমানের মহড়া দেখবে গোটা বিশ্ব।

এমনিতেই চিলের মতো বড় পাখি খাদ্যের সন্ধানে খোলা জায়গায় ঘোরাফেরা করার জন্য কুখ্যাত। ফলে প্রতি বছরই তাদের মাংসের লোভ দেখিয়ে ‘বিপথে’ টেনে আনা হয়। তাতেই সুরক্ষিত হয় উড়ন্ত সুখোই, রাফাল যুদ্ধবিমান। তবে এবারে সামান্য বদলানো হয়েছে কৌশল। অন্য বছরে বিমান মহড়ার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হত মোষের মাংস। এবার তার বদলে ‘রেসিপি’ হাড়হীন মুরগির মাংস। জানা গিয়েছে, ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর ২০টি স্থানে মাংস নিক্ষেপের মহড়া চলবে। সাধারণত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় চিলের উৎপাত বেশি থাকে। সেকথা মাথায় রেখেই রাজধানীর চিহ্নিত এলাকায় ছড়ানো হবে মুরগির মাংস। প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে প্রতি দিন এই কৌশল অবলম্বন করা হবে।

১৫ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর ২০টি স্থানে মাংস নিক্ষেপের মহড়া চলবে।

জানা গিয়েছে, প্রতি দিন গড়ে দু’শো কেজি মাংস আকাশে ছুড়ে দেওয়া হবে পাখিদের জন্য। ২২ জানুয়ারি এই মাংসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি করা হবে, দু’শো পঞ্চান্ন কেজি। মোট ২০টি জায়গা চিহ্নিত করেছেন বন দপ্তরের আধিকারিকেরা। প্রতিটি জায়গার জন্য বরাদ্দ ২০ কেজি মাংস। মোট মাংসের পরিমাণ ১২৭৫ কেজি। মুরগির মাংসের বাজার দর অনুযায়ী সারে চার লক্ষ টাকা খরচ হবে দিল্লি সরকারের। এটুকু খরচ অবশ্য ভারতীয় সেনার মহার্ঘ যুদ্ধবিমান কিংবা তাঁর চালক সেনাকর্মীদের জীবনের তুলনায় কিছুই নয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.