Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
কংগ্রেস

লোকসভার উলটো ফল, কর্ণাটকের পুর নির্বাচনে বড় জয় কংগ্রেসের

লোকসভায় ইভিএম কারচুপি হয়েছিল, ফলপ্রকাশের পর দাবি কংগ্রেসের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০১৯, ০৮:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০১৯, ০৮:৫৬

options
link
লোকসভার উলটো ফল, কর্ণাটকের পুর নির্বাচনে বড় জয় কংগ্রেসের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কদিন আগেই লোকসভা নির্বাচনে একচ্ছত্র জয় পেয়েছে বিজেপি। রাজ্যের ২৮ আসনের মধ্যে ২৫টি গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের দখলে। ভোটের হার ৫১ শতাংশ। সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই শহরাঞ্চলের স্থানীয় নির্বাচনে উলটো ফল। বিজেপিকে অনেকটা পিছনে ফেল বড়সড় জয় পেল কংগ্রেস। অধিকাংশ পুরসভা, শহর পঞ্চায়েত এবং টাউন কাউন্সিল দখল করল কংগ্রেস-জেডিএস জোট।

[আরও পড়ুন: শুরুতেই জোড়া ধাক্কা মোদির! পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন জিডিপি, ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ বেকারত্ব]

কর্ণাটকের বিভিন্ন স্তরের পুরসভার মোট ১,৩৬১ আসনে নির্বাচন হয়েছিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই আসনগুলির মধ্যে প্রায় ৪২ শতাংশ গিয়েছে কংগ্রেসের দখলে। হাত শিবির দখল করেছে ৫০৯টি আসন। অনেকটা পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দখলে ৩৬৬টি ওয়ার্ড। অন্যদিকে, জেডিএসের দখলে ১৭৪টি ওয়ার্ড। ১৬০টি আসন গিয়েছে নির্দলদের খাতায়। রাজ্যে জোট থাকলেও স্থানীয় নির্বাচনে আলাদা লড়েছিল কংগ্রেস-জেডিএস। তবে, বোর্ড গঠনের ক্ষেত্রে ফের জোট বাঁধছে এই দুই দল। স্থানীয় সূত্রের খবর, মোট আটটি শহর মিউনিসিপ্যালিটির মধ্যে পাঁচটি যাচ্ছে কংগ্রেস-জেডিএসের দখলে, একটি বিজেপির দখলে, দু’টি নির্ভর করছে নির্দল প্রার্থীদের সমর্থনের উপর। ছোট শহরের পুরসভাগুলির মধ্যে ২০টি গিয়েছে কংগ্রেস-জেডিএস জোটের দখলে। অন্যদিকে বিজেপির দখলে মাত্র ৫টি। শহর পঞ্চায়েতের মধ্যে বিজেপি আটটি জিতেছে, জোট জিতেছে ৭টি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জানেন, কেন শাহকেই ঘর সামলানোর দায়িত্ব দিলেন মোদি?  ]

লোকসভা নির্বাচনের পর কর্ণাটকে জোট সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। গেরুয়া শিবিরের তরফে সরকারকে নড়বড়ে করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু, এরই মধ্যে পুর নির্বাচনের এই আশাতীত ফল জোট শিবিরকে চাঙ্গা করেছে। কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দীনেশ গুণ্ডুরাও-ও সেকথাই বলছেন। তিনি টুইটে জানান, “লোকসভার ফলপ্রকাশের পর কর্মীরা মুষড়ে পড়েছিল। কিন্তু এই ফলাফল তাদের চাঙ্গা করবে।” একই সঙ্গে, পুর নির্বাচনের ফল হাতে পাওয়ার পর ফের ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। দীনেশ বলেন,”এই ফলাফল অনেকটা অপ্রত্যাশিত। কারণ, কদিন আগেই লোকসভায় ৫১ শতাংশ ভোট পেয়েছিল বিজেপি। আজকের ফলাফলের পর সংবাদমাধ্যমে ইভিএম নিয়ে যে প্রশ্নগুলি উঠছিল সেসব নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.