Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bihar Assembly Elections 2020

‘মানুষ জানে কাকে কখন ফেলতে হবে’, বলতেই মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন বিহারের কংগ্রেস নেতা

দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে সরগরম বিহারের রাজনীতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২০, ১২:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২০, ১২:১৩

options
link
‘মানুষ জানে কাকে কখন ফেলতে হবে’, বলতেই মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন বিহারের কংগ্রেস নেতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অদ্ভুত সমাপতন! বিহারে (Bihar) ভোটপ্রচারের মঞ্চে সরকার পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছিলেন কংগ্রেস (Congress) নেতা মশকুর আহমেদ উশমানি। ‘‘গণতন্ত্রে কখন কাকে তুলতে হবে, কাকে ফেলে দিতে হবে, তা মানুষ জানে।’’ ঠিক এই কথা বলার পরই আচমকা মঞ্চ ভেঙে পড়ে যান তিনি। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত বাকিরাও পড়ে যান। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কারও আহত হওয়ার কথা জানা যায়নি।

বুধবার ছিল বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Assembly Elction 2020) প্রথম ভোটগ্রহণ পর্ব। আগামী ৩ নভেম্বর দ্বিতীয় পর্বের ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে প্রচারে সরগরম রাজ্য। জালে বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মশকুর আহমেদ উশমানিও দ্বারভাঙায় এসেছিলেন ভোটপ্রচারে যোগ দিতে। কিন্তু জনসভায় তিনি বক্তৃতা দেওয়ার সময় আচমকাই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে অস্থায়ী মঞ্চটি। প্রসঙ্গত, এর আগে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভাপতি ছিলেন তিনি। সেই সময় ছাত্র সংসদের কার্যালয় থেকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ আলি জিন্নাহর ছবি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এবারের নির্বাচনে উশমানি টিকিট পাওয়ার পর তাঁকে সেই প্রসঙ্গ তুলে ‘জিন্নাহর প্রতি সহানুভূতিশীল’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। কংগ্রেস অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ! আশঙ্কার সুর কেজরি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গলায়]

এদিকে ভোটের আবহে জমজমাট বিহারের রাজনৈতিক পরিবেশ। গতকাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তেজস্বী যাদবকে ‘জঙ্গলরাজের যুবরাজ’ কটাক্ষের আজ জবাব দিয়েছেন আরজেডি নেতা। তিনি বলেন, ‘‘উনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। যা ইচ্ছে বলতে পারেন। আমি এই নিয়ে কিছু বলব না। তবে উনি যখন বিহারে এলেনই, তখন স্পেশাল প্যাকেজ, বেকারত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়েও কথা বলা উচিত ছিল।’’ বিজেপির ৩০টি হেলিকপ্টার থাকার প্রসঙ্গ তুলেও তিনি খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রীকে। তাঁর কথায়, ‘‘মানুষ সবই জানে।’’

[আরও পড়ুন: অমিত শাহর কাছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নালিশ, ধনকড়ের আচরণে ক্ষুব্ধ শাসকদল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.