BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

কুম্ভমেলা চত্বরে নির্মিত ‘অবৈধ’ মসজিদ ভাঙতে চাইছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: October 15, 2020 6:19 pm|    Updated: October 15, 2020 6:19 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুম্ভমেলা (Kumbh Mela) চত্বরে থাকা অবৈধ মসজিদ ভেঙে ফেলতে চাইছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে প্রয়াগরাজ জেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছে তারা। যাতে প্রয়াগরাজের গঙ্গার ত্রিবেণী সঙ্গম এলাকার একটি গ্রামসভায় অবস্থিত অবৈধ মসজিদকে ভাঙার দাবি জানানো হয়েছে। এদিকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার প্রয়াগরাজ (Prayagraj) -এর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) নেতারা জেলাশাসকের কাছে ঝাঁসি এলাকার হাভেলিয়া গ্রামের একটি মসজিদ ভাঙার আবেদন জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন। কুম্ভমেলা ক্ষেত্রের সমুদ্রকূপ এলাকা থাকা ওই মসজিদটি অবৈধভাবে নির্মিত হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। মসজিদটি তৈরি কাজ বন্ধ করে দিয়ে সেটিকে ধ্বংস করার জন্য তাঁরা জেলাশাসককে সাতদিনের সময় দিয়েছেন। দাবি মানা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন করবেন বলেও জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন:‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলার অধিকার নেই চিনের’, লাদাখ ইস্যুতে কড়া বিদেশমন্ত্রক ]

এপ্রসঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র অশ্বিনী মিশ্র বলেন, ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কাশী পন্থের স্বেচ্ছাসেবকরা অতিরিক্ত জেলাশাসক (শহর) -এর হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দিয়েছেন। ওই স্মারকলিপিতে কুম্ভমেলা ক্ষেত্রে একটি অবৈধভাবে নির্মিত হতে চলা মসজিদের কাজ আটকানোর দাবি জানানো হয়েছে। এই শহরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য কিছু অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি অবৈধভাবে ওই মসজিদটি তৈরি চেষ্টা করছে। কিন্তু, আমরা কোনওমতেই এই বিষয়টি মেনে নেব না। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা ওই মসজিদ তৈরির বিষয়ে সবকিছু জানা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত এই ব্যাপারে কড়া কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।’

গত বছরের নভেম্বর মাসে অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির তৈরি নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা স্লোগান তুলে, ‘রাম মন্দির তো ঝাঁকি হ্যায়, অভি মুথরা-কাশী বাকি হ্যায়।’ প্রয়াগরাজের এই ঘটনা তারই নিদর্শন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

[আরও পড়ুন: কিশোরীকে অপহরণ করে ২২ দিন ধরে ধর্ষণ! এবার নৃশংসতার সাক্ষী নবীন পট্টনায়েকের ওড়িশা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement