সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেশার টানে মানুষে কী না করে! পানমশলার নেশার টানে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড ছেড়ে পালাল করোনা আক্রান্ত। প্রায় দেড় ঘণ্টা একাধিক জায়গায় ঘুরে বেড়িয়ে তারপর ফিরে এল হাসপাতালে। ঘটনাস্থল উত্তরপ্রদেশের এস এন হাসপাতাল। স্বভাবতই এই ঘটনায় হাসপাতালে নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শনিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের এস এন হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভরতি ছিলেন ওই করোনা আক্রান্ত যুবক। সে পানমশলার নেশায় আসক্ত। হাসপাতালের কর্মীদের বারবার অনুরোধ করেছিলেন পানমশলা এনে দেওয়ার কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। শনিবার বিকেলে সুযোগ বুঝে হাসপাতালের মূল গেটের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষীর পোশাক পরে চম্পট দেয় সে।
[আরও পড়ুন : রাজস্থানে সরকার বাঁচাতে আসরে প্রিয়াঙ্কা! দলে থাকতে একাধিক ‘শর্ত’ দিলেন পাইলট]
কিন্তু হাসপাতালের বাইরে বেরিয়ে তার মাথায় হাত। লকডাউনের জেরে হাসপাতাল সংলগ্ন সমস্ত দোকান বন্ধ। ফলে নেশার টানে হাঁটতে হাঁটতে দেড় কিলোমিটার দূরে গান্ধী নগরে হাজির হন তিনি। সেখানের একটি দোকান থেকে পানমশলা কিনে খান ওই করোনা আক্রান্ত। পরে সেখান থেকে বন্ধু আত্মীয়ের বাড়িতে হাজির হন তিনি। তাঁদের অনুরোধ করেন তাংক হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে আসতে।
এর মধ্যে হাসপাতালে রোগীকে না পেয়ে পুলিশে খবর দেয় কর্তৃপক্ষ। শুরু হয় তল্লাশি। তার মাঝেই হাসপাতালে ফিরে আসেন ওই রোগী। ঘটনায় হাসপাতালে নজরদারি ঘিকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সেই বিতর্ক ধামাচাপা দিতে এস এন হাসপাতালের প্রিন্সিপাল সঞ্জয় কালা জানান, “রোগীর মানসিক ভারসাম্য ঠিক নেই। এরকম যাতে পরে আর না করতে পারে তাই কড়া নজরদারিতে তাঁকে রাখা হবে।” এই ঘটনা উত্তরপ্রদেশের হাসপাতালগুলির আসল ছবি সামনে নিয়ে এল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
[আরও পড়ুন : ডিজিটাল ইন্ডিয়া গড়তে মোদির পাশে Google, ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা]
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের