BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সুরার ‘মহিমা’! গাড়ি নিয়ে সোজা কুতুব মিনারের দেওয়ালে ধাক্কা মদ্যপের

Published by: Sulaya Singha |    Posted: May 6, 2020 3:37 pm|    Updated: May 6, 2020 3:37 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের তৃতীয় দফায় মদের দোকান খোলায় লাভের মুখ দেখেছে সরকার। কিন্তু সেই মদই আবার সরকারি সম্পত্তি নষ্টরও কারণ হয়ে দাঁড়াল। ৩১ বছরের এক মদ্যপ যুবকের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা গিয়ে ধাক্কা দেয় কুতুব মিনারের দেওয়ালে। যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঐতিহাসিক এই সৌধের দেওয়ালের অনেকখানি অংশ।

ঘটনা সোমবার ভোররাত পৌনে চারটের। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থাতেই দিল্লির রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন অরুণ চৌহান নামের ওই যুবক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর গাড়িটি ধাক্কা মারে কুতুব মিনারের দেওয়ালে। সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় গাড়িতে। প্রায় ৫০ মিটার দেওয়ালের অংশ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান ওই যুবক। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) এক নিরাপত্তারক্ষী ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন। গাড়িটিতে আগুন ধরার কয়েক মুহূর্ত আগে কোনওক্রমে যুবককে টেনে বের করে আনেন ওই গার্ড। দুর্ঘটনায় সামান্য চোট পান তিনি।

[আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেরলে নিয়োগ হবে ৯৮০ জন চিকিৎসক]

ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশের গাড়িতেই এরপর অরুণকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর পুলিশ তাঁকে থানায় আনে। সম্পত্তি নষ্ট করার জন্য এএসআইয়ের তরফে যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অরুণের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবিও জানানো হয়। ঐতিহ্যশালী ওই সৌধের দেওয়ালের যে পরিমাণ ক্ষতি করা হয়েছে, ততই জরিমানা দিতে হবে বলেও সরব হয় এএসআই।

এদিকে গাড়িতে আগুন লাগার পরই খবর দেওয়া হয় দমকলে। বিলম্ব না করে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এএসআইয়ের একটি দল। দুর্ঘটনায় সরকারি সম্পত্তির কতখানি ক্ষতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন। তবে রাজধানীর এই ঘটনায় পুলিশ কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। লকডাউনের মধ্যেও কীভাবে নিয়ম ভেঙে মদ্যপ অবস্থায় মধ্যরাতে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ালেন অরুণ চৌহান? প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে।

[আরও পড়ুন: লাগাতার লকডাউনের জের, একলাফে দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে হল ২৭.১১ শতাংশ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement