সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে দ্বন্দ্বে নয়া মাত্রা। এবার কংগ্রেস হাই কম্যান্ডের উপর চাপ বাড়াতে প্রদেশ সভাপতির পদও ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন ডিকে শিবকুমার। তিনি বলছেন, ‘এক পদে কেউ চিরকাল থাকতে পারে না।’ স্পষ্টতই তাঁর নিশানায় সিদ্ধারামাইয়া।
ডিকে শিবকুমার এই মুহূর্তে একই সঙ্গে কর্নাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি। বুধবার এক সভায় প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষপদ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “এক পদে কেউ চিরকাল থাকতে পারে না। অন্যদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত।” তাঁর কথায়, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে আমার সাড়ে পাঁচ বছর হল। কদিন বাদে ৬ বছর হবে। দরকার হলে অন্য কাউকে সুযোগ দেব। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন কংগ্রেস ছাড়ার প্রশ্ন নেই। দলের সামনে থেকেই নেতৃত্ব দেবেন। ডিকের এই বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
২০২৩ সালে বিজেপিকে উৎখাত করে কর্নাটকে ক্ষমতায় এসেছিল কংগ্রেস। এর পর থেকেই দলীয় কোন্দলে নাজেহাল অবস্থা হাত শিবিরের। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসেবে সিদ্দারামাইয়ার পাশাপাশি উঠে আসেন ডিকে শিবকুমার। শেষ পর্যন্ত সিদ্দারামাইয়াকে শাসনভার দেওয়া হলেও এত সহজে দ্বন্দ্ব মেটেনি। সরকারের অন্দরে সংঘাতপর্ব উত্তরোত্তর বাড়তে থাকে। এর সঙ্গেই গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো সামনে আসে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। বিরাট জমি দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ায় খোদ মুখ্যমন্ত্রীর। এই পরিস্থিতিতে সিদ্দারামাইয়ার হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে শিবকুমারের হাতে ক্ষমতা দেওয়ার দাবি ওঠে।
কংগ্রেস হাই কম্যান্ড এখনও সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। যার জেরে সিদ্দা এবং ডিকের মধ্যে যে একটা ঠান্ডা লড়াই চলেছে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। বুধবারের বক্তব্যে ডিকে আসলে একই সঙ্গে হাই কম্যান্ড এবং নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে বার্তা দিয়ে গেলেন।
সর্বশেষ খবর
-
খারাপ আবহাওয়ায় নামতে পারল না চপার, বাতিল শুভেন্দুর কালিম্পং সফর
-
স্থিতিশীল না করে রেফার নয়! রোগী ভোগান্তি দূর করতে একাধিক নির্দেশিকা স্বাস্থ্যদপ্তরের
-
পিওকে ভারতেরই! ম্যাপ দেখিয়েও মুছল আফগানিস্তান, টি-২০ সিরিজের আগে সাঁড়াশি চাপে রশিদরা
-
দিল্লিতে পড়ুয়াদের পিজি এখন ধ্বংসস্তুপ, সরকারের কাছে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আশ্রয়ের আর্জি সোনুর
-
তোলাবাজি থেকে শৃঙ্খলাভঙ্গ! সরানো হল কোচবিহারের একাধিক নেতাকে, শুদ্ধকরণের পথে বিজেপি?