Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

সরকারি জমিতে ‘অবৈধ নির্মাণ’! সম্ভলে ইদগাহ, ইমামবাড়া গুঁড়িয়ে দিল যোগীর বুলডোজার

জেলাশাসক রাজেন্দ্র পানসিয়া বলেন, 'ইতিমধ্যেই সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।' শুধু তাই নয়, ওই ইদগাহ ও ইমামবাড়ার দায়িত্বে যারা ছিল তাঁদের কাছ থেকে বুলডোজারের খরচও আদায় করা হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ২০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ২০:২০

options
link
সরকারি জমিতে ‘অবৈধ নির্মাণ’! সম্ভলে ইদগাহ, ইমামবাড়া গুঁড়িয়ে দিল যোগীর বুলডোজার zoom
সম্ভলে ইদগাহ, ইমামবাড়া গুঁড়িয়ে দিল যোগীর বুলডোজার।

যোগীর উত্তরপ্রদেশে ফের বুলডোজারের রক্তচক্ষু। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে এক ইদগাহ ও ইমামবাড়া গুঁড়িয়ে দিল যোগী প্রশাসন। স্থানীয়দের তরফে যাতে কোনওরকম বাধা বা অশান্তি তৈরি না হয় তা সামাল দিতে উপস্থিত ছিল ৫ থানার পুলিশ বাহিনী ও এক কোম্পানি বিশেষ নিরাপত্তারক্ষী। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২.৩০ পর্যন্ত এই অভিযান চালায় ৪টি বুলডোজার।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ওই অঞ্চলে ৭ বিঘে সরকারি জমি দখল করে ওই ইদগাহ ও ইমামবাড়া তৈরি করা হয়েছিল। বাস্তবে ওই জমি ছিল গোচারণভূমি। এই জমি মুক্ত করার দাবিতে গ্রামেরই কয়েকজন মানুষ আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। ৩১ জানুয়ারি এই মামলায় আদালতের তরফে খবরের কাগজ ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হয়েছিল এই জমি যার অধিকারে রয়েছে তিনি যেন আদালতে উপস্থিত হন। তবে আদালতে কোনও পক্ষই সামনে আসেনি।

Advertisement

জেলাশাসক রাজেন্দ্র পানসিয়া বলেন, “১২ বছর আগে অবৈধভাবে জমি দখল করে পরিকল্পিতভাবে ইদগাহ ও ইমামবাড়া বানানো হয়েছিল সরকারি জমিতে।”

এই অবস্থায় আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযান চালায় প্রশাসন। ৪টি বুলডোজার নিয়ে সাড়ে ৬ ঘণ্টার অভিযানে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয় গোটা স্থাপত্য। স্থানীয়দের তরফে মৃদু আপত্তি তোলা হলেও তা ধোপে টেকেনি। ভিড় হটিয়ে দেয় নিরাপত্তাবাহিনী। জুবেদা নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘দীর্ঘ বছর ধরে এই ইদগাহ ও ইমামবাড়ায় প্রার্থনা করে আসছেন তারা। তাকে এভাবে ভেঙে দেওয়া হল। সরকারি জমিতে নির্মাণই যদি আপত্তির কারণ হয়, তবে বহু মন্দির তো সরকারি জমিতে তৈরি। সেগুলি কেন ভাঙা হচ্ছে না।’

এদিকে এই অভিযান প্রসঙ্গে জেলাশাসক রাজেন্দ্র পানসিয়া বলেন, “১২ বছর আগে অবৈধভাবে জমি দখল করে পরিকল্পিতভাবে ইদগাহ ও ইমামবাড়া বানানো হয়েছিল সরকারি জমিতে। এই জমির আনুমানিক বাজারদর ৬ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই তা দখলমুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই ইদগাহ ও ইমামবাড়ার দায়িত্বে যারা ছিল তাঁদের কাছ থেকে বুলডোজারের খরচও আদায় করা হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.