২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিভাজনের প্রমাণ মেলেনি বক্তব্যে, মোদিকে ক্লিনচিট নির্বাচন কমিশনের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 1, 2019 11:25 am|    Updated: May 1, 2019 11:41 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ওঠা নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়ে দিল, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ হয় এমন কিছুই বলেননি। ফলে, নির্বাচনী মরশুমে কোনও শাস্তি পেতে হচ্ছে না প্রধানমন্ত্রীকে। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, ভোটপ্রচারে গিয়ে সেনা সম্পর্কে সাম্প্রদায়িক বিভাজনমূলক মন্তব্য করছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, সেই অভিযোগ ধোপে টিকল না। উল্লেখ্য , এ প্রসঙ্গে কমিশনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কং শিবির।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকার থেকে সমর্থন তুলে নেওয়ার হুমকি মায়াবতীর

বিতর্কের সূত্রপাত গত ১ এপ্রিল মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধায় নরেন্দ্র মোদির একটি বক্তব্য নিয়ে। যেখানে মোদি বলেছিলেন “হিন্দু সন্ত্রাসবাদ বলে কিছু হয় না। কখনও শুনেছেন কোনও হিন্দু সন্ত্রাসবাদের মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত? হিন্দুরা শান্তিপ্রিয় হয়, কংগ্রেস এই দেশের কোটি কোটি মানুষের উপর সন্ত্রাসবাদী তকমা লাগিয়ে দিয়েছিল, হিন্দু সন্ত্রাসবাদ তত্ত্ব তোলে। সেই কংগ্রেসকে এবার দেশের হিন্দুরা শাস্তি দেবে। সংখ্যাগরিষ্ঠরা কংগ্রেসকে ভোট দেবে না।” কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল এই বক্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় বিভাজনে উসকানি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই নিয়ে বেশ কয়েকটি অভিযোগও জমা পড়েছিল কমিশনের কাছে। কিন্তু বেশ কিছুদিন এ নিয়ে কোনও আলোচনাই করেনি কমিশন। অবশেষে, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে তা খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন: বাবার ছায়া পেরিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যশবন্তপুত্র, জয় নিয়ে প্রত্যয়ী জয়ন্ত

সম্প্রতি একাধিক জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছে, বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক এবং পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। বিরোধীরা অন্তত এমনটাই অভিযোগ করছে। তাদের অভিযোগ, বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর নরেন্দ্র মোদি কর্মসংস্থান, কৃষক সমস্যার মতো ইস্যু ছেড়ে দেশপ্রেম আর জাতীয়তাবাদের আবেগকেই ভোটপ্রচারের হাতিয়ার করেছেন। নিজেকে মজবুত এবং বিরোধীদের ‘মজবুর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন বারবার। এমনকী, আমেদাবাদে ভোট দেওয়ার সময়ও রাজনৈতিক বক্তব্য রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। কমিশনের তরফে এসব অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement