সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট ঘোষণার পর তেলেঙ্গানা (Telangana) সরকারকে ‘রায়তু বন্ধু’ প্রকল্পে অনুদান বিলির অনুমতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কিন্তু সোমবার সেই নির্বাচন কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে মেল পাঠিয়ে জানিয়ে দিল, অনুমতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। অর্থাৎ, ভোটের আগে রাজ্য সরকার এই টাকা কৃষকদের মধ্যে বিলি করতে পারবে না। কেসিআর সরকারের পরিকল্পনা ছিল সোমবারই ডিবিটি বা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার হিসাবে অনলাইনে রাজ্যের ৫০ লাখ কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে।
[আরও পড়ুন: ‘উত্তরকাশীতে বিপর্যয়ের দায় BJPরই’, তোপ তৃণমূলের, ঘটনাস্থলে হাজির উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী]
অনুমতি দিয়েও কেন প্রত্যাহার করে নিল কমিশন? রাজ্যের মন্ত্রী তথা ভারত রাষ্ট্র সমিতির প্রথম সারির নেতা টি হরিশ রাও নির্বাচনী প্রচারে বড় মুখ করে রায়তু বন্ধু প্রকল্পের সাফল্য এবং সোমবার টাকা পাওয়ার কথা তুলে ধরেন। প্রশংসা করেন এই স্কিমের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের ভূমিকার কথা। মন্ত্রীর প্রকল্প নিয়ে প্রচারে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল কংগ্রেস। কমিশন মনে করেছে, কংগ্রেসের আপত্তি ন্যায্য। কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে শাসক দল রাজনৈতিক সুবিধা নিতে পারে না। এর পরই অনুদান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
তেলেঙ্গানার এই স্কিম এখন কম-বেশি সব রাজ্যেই চালু আছে। অর্থাৎ, বছরে দু’বার কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। এ দিনের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশনের কাছে তা প্রত্যাহারের আবেদন জানায় কে সি আর (K Chandrasekhar Rao) সরকার। তাদের যুক্তি, এই অনুদান বন্ধ করে দিলে, রাজ্যের কৃষকরা সমস্যায় পড়বেন। তাদের স্বার্থে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া উচিত। কে সি আরের কন্যার মতে, রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের আচরণের ফলেই প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হবেন কৃষকরা।
[আরও পড়ুন: ১১ মাসে ২৮ বার! এবার কোটায় আত্মঘাতী বাংলার পড়ুয়া]
সর্বশেষ খবর
-
খিচুড়ির সঙ্গে ডিম, বোনাস গজা, শনিবারের মিড-ডে মিলে খুশি পড়ুয়ারা
-
লাগবে না ইথানল! ভারতের প্রথম ‘উড়ন্ত গাড়ি’ বানিয়ে নজির উত্তরাখণ্ডের তরুণের
-
‘রাত ২টো পর্যন্ত কাজ করেও হচ্ছে না’, মুখ্যমন্ত্রীর ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে খুশির হাওয়া হাওড়ার পতাকা বাড়িতে!
-
মহিলা সংরক্ষণ বিলে রাহুল-রিজিজু ‘ডুয়েল’! আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে তরজায় শাসক-বিরোধী
-
কুকুরের মাংস খান! তীব্র গরম থেকে বাঁচতে ‘আজব’ দাওয়াই