Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রশান্ত কিশোর

‘গত ৪০ দিনে পরিস্থিতি খারাপই হয়েছে’, ফের লকডাউন নিয়ে কটাক্ষ প্রশান্ত কিশোরের

রেড জোন, গ্রিন জোন, অরেঞ্জ জোনের বিন্যাস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃনমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২০, ২০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২০, ২০:৩৩

options
link
‘গত ৪০ দিনে পরিস্থিতি খারাপই হয়েছে’, ফের লকডাউন নিয়ে কটাক্ষ প্রশান্ত কিশোরের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুরু থেকেই দেশব্যাপী লকডাউনের পক্ষে ছিলেন না প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। এর ফলে সাধারণ মানুষকে যে বিপুল সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তা নিয়ে আওয়াজ তুলেছেন অনেক আগেই। তৃতীয় দফার লকডাউন চালু হতেই আরও সুর চড়ালেন তিনি। তৃনমূলের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকের সাফ কথা, শুধু লকডাউন করে করোনা যুদ্ধে জেতা যাবে না। তাছাড়া যে কোনও পরিসংখ্যান তুলে দেখলেই বোঝা যাবে, লকডাউনের ৪০ দিনে ক্রমশ অবনতির দিকে এগোচ্ছি আমরা।

[আরও পড়ুন: অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগবে ১ বছরের বেশি! বলছে বণিকসভার সমীক্ষা]

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) যখন দ্বিতীয় দফার লকডাউন ঘোষণা করলেন তখনই প্রশান্ত কিশোর প্রশ্ন তোলেন, সরকার শুধু একটা পরিকল্পনা নিয়ে চলছে নাকি বিকল্প কোনও পরিকল্পনার কথা ভাবা আছে? যদি লকডাউনের পরও করোনার প্রকোপ না কমে তাহলে সরকার কি করবে? পরে দেখা গেল সরকার বিকল্প পথে না হেঁটে লকডাউনের পথেই হাঁটছে। আর তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রশান্ত কিশোর। এক টুইটে তিনি বলছেন, “এটা স্পষ্ট যে শুধু লকডাউন করেই করোনা আটকানো যাবে না। আমরা যে পরিসংখ্যানেই দেখি, গত ৪০ দিনে পরিস্থিতি খারাপই হচ্ছে। কিন্তু আমরা সত্যিটা স্বীকার করতে রাজি নই। আর সরকারও নিজের রণকৌশল বদলাতে রাজি নয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে যদি এই মানসিকতা বজায় থাকে তাহলে ১৭ মের পরও আমাদের অবস্থার অবনতিই হবে।”

[আরও পড়ুন: ঈশ্বরের ঘরেও করোনার মার! লকডাউনে কাজ হারালেন তিরুপতি মন্দিরে ১,৩০০ কর্মী]

তৃতীয় দফার লকডাউন জারির আগে কেন্দ্র যে ভিত্তিতে গোটা দেশকে রেড, গ্রিন আর অরেঞ্জ জোনে ভাগ করেছে তার ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পিকে। তাঁর কথায়, “যারা এই জোন বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করছেন তাঁদের বলে রাখি, এই জোন বিন্যাসের কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এই জোন নির্ভর করে কত পরিমাণ টেস্টিং হচ্ছে তার উপর। আমরা জানি, টেস্ট বেশি হলেই এই গ্রিন বা অরেঞ্জ জোন রেড জোনে পরিণত হতে পারে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.